রোজদিন ডেস্ক ,কলকাতা :- ওড়িশার বালেশ্বরের ঘটনা। ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করার অভিযোগ উঠল কলেজের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে। ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তাঁর শাস্তির দাবিও তুলেছিলেন ওই ছাত্রী। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ না করায় দ্বিতীয় বর্ষের ওই পড়ুয়া কলেজের মধ্যে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেন বলে জানা গিয়েছে।
জানা গেছে, ঐ ছাত্রীর শরীরের ৯০ শতাংশই পুড়ে গিয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভুবনেশ্বর AIIMS-এ ভর্তি করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার পরেই সাসপেন্ড করা হয়েছে ওই কলেজের অধ্যক্ষ দিলীপ কুমার ঘোষকে। ওড়িশা রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর শনিবারই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ওই কলেজের অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করার জানিয়েছে। ওড়িশার উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের জয়েন্ট সেক্রেটারির জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বালেশ্বরের এফ এম কলেজের অধ্যক্ষ তাঁর কাজ ঠিক মতন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এই কারণেই তাঁকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। যতদিন সাসপেনশন না উঠছে ততদিন তাঁকে সেখানকার জেলাশাসকের কার্যালয়ে থাকতে হবে।
কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, এই নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে বলে ওই ছাত্রীকে আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি। তার আগেই গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই ছাত্রী। বালেশ্বরের পুলিশ সুপার রাজ প্রসাদ জানিয়েছেন, অভিযুক্ত অধ্যাপককে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

Be the first to comment