সুকৃতি আশকে শিলিগুড়ি আদালতে এনে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানাল পুলিশ

Spread the love
SFI নেত্রী সুকৃতি আশকে আজ শিলিগুড়ি আদালতে এনে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানাল পুলিশ। অন্যদিকে গ্রেপ্তারি এড়াতে নিরুদ্দেশ হলেন এক বাম কাউন্সিলরসহ অভিযুক্ত অন্য নেতারা।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর দাড়িভিটে গুলিতে দুই ছাত্রের মৃত্যুর প্রতিবাদে শিলিগুড়িতে বামেদের মিছিল থেকে কুশপুতুল পোড়ানোর চেষ্টা হলে বাধা দেয় পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময়ে কুশপুতুল দাহর জন্য আনা কেরোসিন পুলিশের গায়ে ছেটান সুকৃতি ও অন্য নেতারা। ভিডিয়ো ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে পুলিশ। এক মেয়র পারিষদসহ SFI নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর গতকাল হাওড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সুকৃতিকে। আজ তাকে শিলিগুড়ি আদালতে হাজির করানো হয়।
এদিকে সুকৃতির গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই অন্য অভিযুক্তরা উধাও হয়ে গেছেন। ঘটনার পর কয়েকদিন সকলে অনত্র থাকলেও গ্রেপ্তারি না হওয়ায় কয়েকদিন পর তারা প্রকাশ্যে ফের ঘোরাফেরা শুরু করেছিলেন। কিন্তু এবার সুকৃতি গ্রেপ্তার হতেই ফের নিরুদ্দেশ হয়েছেন মোট সাত নেতাকর্মী। 
অভিযুক্তের তালিকায় রয়েছেন CPI(M) নেতা ও মেয়র পারিষদ শরদিন্দু চক্রবর্তী। গতকাল দুপুরে ক্ষণিকের জন্য পৌরসভায় এলেও ফের খোঁজ মিলছে না তাঁর। বন্ধ রয়েছে মোবাইল ফোন। খোঁজ নেই কয়েকজন ছাত্রনেতারও। মোবাইল লোকেশন দেখে পাছে পুলিশ পৌঁছে যায় সেই ভয়ে তাঁরা কেউই মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন না। 
আজ সুকৃতি বলেন, “আমি আন্দোলনে ছিলাম। কেরোসিন দিয়ে কুশপুতুল পোড়ানোর চেষ্টা হয়েছিল। পুলিশকে জ্বালানোর চেষ্টার অভিযোগ মিথ্যে।” 
মেয়র অশোক ভট্টাচার্য বলেন, “শুনেছি আমার বিরুদ্ধেও প্ররোচনার মামলা করেছে পুলিশ। শহরেই আছি। ক্ষমতা থাকলে আমায় গ্রেপ্তার করুক। মিথ্যা মামলায় ছাত্রনেত্রীকে ফাঁসানো হচ্ছে। দল ভাঙিয়ে তৃণমূলে টানতে ভয় দেখানো হচ্ছে। আইনি পথেই এর মোকাবিলা করব।”

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*