রোজদিন ডেস্ক: দেশে বিজেপি র বিজয় কেতন ঠেকাতে কংগ্রেস থেকে সৃষ্ট হওয়া সব দল জাতীয় স্তরে একত্রিত হওয়ার ভাবনা চিন্তা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে শরদ পাওয়ার নেতৃত্বাধীন এন সি পি, মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেসে মিশে যেতে পারে। মহারাষ্ট্রর কংগ্রেস নেতা নানা পাটোলে ইঙ্গিত দিয়েছেন, এমন একটি প্রক্রিয়া র প্রস্তুতি চলছে।। সমমনা দলগুলি কংগ্রেসের সঙ্গে এক হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই বিষয়ে শরদ পাওয়ার কন্যা তথা এন সি পি সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের প্রতিক্রিয়া হোল, কি হবে তা সময় ই বলবে। তবে আগে বৃষ্টি আসুক, তারপর দেখা যাবে ছাতা নেবেন না রেনকোট!
উদ্ধব গোষ্ঠীর নেতা সঞ্জয় রাউত বেশ কিছুদিন আগে মন্তব্য করেন, কংগ্রেস ভেঙে যে সব দল হয়েছে, তাদের আবার এই দলেই মিশে যাওয়া উচিত।
রাজনৈতিক মহল মনে করেন, দেশে বিজেপি যেভাবে একের পর এক রাজ্য দখল করছে, সারা দেশের সব রাজ্য গেরুয়া হতে খুব বেশি দেরি নেই। বিশেষত একদা দেশে প্রগতিশীল বলে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গ যেভাবে গেরুয়া হয়েছে, এতে বিস্মিত, উদ্বিগ্ন বিজেপি বিরোধী মহল। যদিও প্রাক্তন সরকারের পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি এর বড় কারণ বলে তাঁরা মনে করেন। দক্ষিণে র রাজ্য কেরলমে ও এবার প্রথম বিধান সভা নির্বাচনে তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি।
রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অশোক গেহলট ও রাহুল গান্ধী কে নেতা মেনে ছোট দলগুলিকে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কংগ্রেস ভেঙে যে সব আঞ্চলিক দল হয়েছে, তাদের ফেরা উচিত। ইন্ডিয়া জোটের নেতা রাহুল গান্ধী, এই কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষ দেখছেন একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অন্যদিকে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী। সব রাজনৈতিক দল রাহুল গান্ধী কে নিজেদের নেতা বলে মেনে নিলে দেশের ভোটের ধরনই বদলে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির টানা ১২, বছর প্রধানমন্ত্রী থাকা নিয়ে বিজেপি ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রচার শুরু করেছে। যা তিন বছর পরের লোকসভা নির্বাচনের ই প্রাথমিক প্রস্তুতি বলে রাজনৈতিক মহল মনে করেন। পশ্চিম বঙ্গে তৃণমূল ভেঙে খানখান হয়ে বিজেপি কে সমর্থন ও দিচ্ছে। যা নিয়ে অশনি সঙ্কেত দেখছেন বিরোধী রা। এই পরিস্থিতিতে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস কে শক্তিশালী করার প্রয়োজন বলে মনে করেন তাঁরা।

Be the first to comment