রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউজ়ের সামনে তৃণমূল কংগ্রেস ‘শহীদ দিবস’ পালন করায় রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে যায় এবং ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ মানুষকে, এই অভিযোগকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বাম আইনজীবী সংগঠন অল ইন্ডিয়া লইয়ার্স ইউনিয়ন (এআইএলইউ)। মামলাটির শুনানিতে তৃণমূলের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি বলেছিলেন, ‘আগামী বছর থেকে শহীদ মিনার বা ব্রিগেডের মাঠ বা অন্য কোথাও সভা করা যায় কি না, তা ভাবুন।’ মামলাটির চূড়ান্ত শুনানি হতে পারে নভেম্বর মাসে।
কেন ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউজ়ের সামনে এই সভা হয়? আজ সভাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে
সেই কারণ ব্যাখ্যা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ২১ জুলাই তৃণমূলের কর্মসূচি কোনওদিন বন্ধ হবে না, সেই বার্তাও এ দিন দেন তিনি। বিরোধীদের নবান্ন অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে তোপও দেগেছেন তিনি।
প্রায় ৩৩ বছর ধরে এই অনুষ্ঠান হয়, এই জায়গাতেই। কারণ এখানে অনেকগুলি প্রাণ লুটিয়ে পড়েছিল’, ২১ জুলাইয়ের আগে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ধর্মতলার সভামঞ্চে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে যান অন্য বছরের মতোই। সরাসরি আদালতের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেননি তিনি। কিন্তু এ দিন তৃণমূল সুপ্রিমোর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, ‘প্রায় ৩৩ বছর ধরে এই অনুষ্ঠান হয় এই জায়গায়। কারণ এখানে অনেকগুলো প্রাণ লুটিয়ে পড়েছিল। আর এই এলাকাটিতে রক্তের বন্যা বয়ে গিয়েছিল। তাই আমরা বছরে একটিই অনুষ্ঠান এখানে করি শহীদদের স্মরণ করে। এই নিয়েও অনেকে আপত্তি জানান। তাঁদের উদ্দেশে বলি, তাঁরা যখন পুলিশের অনুমতি না নিয়ে নবান্ন অভিযান করেন, তখন আপত্তিটা কোথায় থাকে?’
তিনি এদিন বলেন, ‘২১-এ জুলাইয়ের দিনে শহীদ স্মরণের অনুষ্ঠান, গণতন্ত্র রক্ষার অনুষ্ঠান, মা-মাটি-মানুষের অনুষ্ঠান কোনও ভাবেই থামবে না।’

Be the first to comment