‘এই মন্দির সকলের জন্য’, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদঘাটন করে বললেন মমতা

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- অপেক্ষার অবসান। অবশেষে দ্বারোদঘাটন হল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের। ৩ বেজে ১৪ মিনিটে মন্দিরের দ্বারোদঘাটন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন সাধারন মানুষ। যদিও ইতিমধ্যেই মন্দিরের বাইরে প্রচুর ভক্তের ভিড়।


এদিন ৩ টে বেজে ১৪ মিনিটে মন্দিরের দ্বার উন্মোচন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দরজা ঠেলে তিনি মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, সামনের আসনে উপবিষ্ট জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রা। বিগ্রহের সামনে আরতিও করলেন মমতা। প্রায় ২০ একর এলাকা জুড়ে ২৫০ কোটি টাকা ব্যয় করে তৈরি করা হয়েছে দিঘার জগন্নাথ মন্দির। নবনির্মিত এই মন্দিরের পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসকনকে।
মন্দিরে প্রবেশ করলে কি কি দেখতে পাবেন? প্রথমত নজর কাড়বে জগন্নাথধামের স্থাপত্যশৈলী। নাটমন্দিরটি যেটি দাঁড়িয়ে রয়েছে ১৬টি স্তম্ভের উপরে, সেটাও দেখার মতো। মূল মন্দিরে রয়েছে ভোগমণ্ডপ, নাটমন্দির, জগমোহন এবং গর্ভগৃহ। ভেতরে সিংহাসনে রয়েছে জগন্নাথ, বলরাম এব‌ং সুভদ্রার মূর্তি। নিমকাঠের তৈরি মূল বিগ্রহের পাশাপাশি পাথরের মূর্তিও রয়েছে। এছাড়া, রয়েছে রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহও।


মন্দির উদ্বোধনের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘যাঁরা এই মন্দির তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, সেই সব স্থপতি এবং শ্রমিকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, এই মন্দির আগামী হাজার হাজার বছর ধরে তীর্থস্থান এবং পর্যটনস্থল হিসাবে উন্মাদনার প্লাবন তৈরি করবে। এই মন্দির সকলের জন্য। তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, সবারে করি আহ্বান।’
এরই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘জয় জগন্নাথ-জয় বাংলা বলে এই জগন্নাথ দেবের মন্দির মা-মাটি-মানুষকে উৎসর্গ করলাম। তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিভাগকে আমি দায়িত্ব দিচ্ছি যাতে একটু করে প্রসাদ ও জগন্নাথ দেবের ছবি পশ্চিমবঙ্গের সকলের বাড়ি ও ভারতের বিখ্যাত মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গের সকলে উপস্থিত হয়েছেন। স্থানীয় মানুষজন সাহায্য না করলে এত বড় কাজ সমাপ্ত হতে না।’

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*