রোজদিন ডেস্ক : পুরোপুরি বিজেপির নির্দেশে কাজ করছে এই ইলেকশন কমিশন। এরা কোনও নিয়ম কানুন মানছে না। ফর্ম ৬ নিয়েও তাঁরা নিয়ম মানছে না। একাধিক সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত ঠিক কতজনের নাম বাদ গিয়েছে সেই সংখ্যা এখনও সঠিকভাবে জানাতে পারেনি। সবমিলিয়ে একটা ধোঁয়াশা। আসলে এই কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করছে না, এটা করছে বিজেপি। ফলে সব জায়গাতেই বিজেপি ঘনিষ্ঠ অফিসারদের বসানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই রাজ্যে ৪৮৩ জন অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। সবমিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার বিকেলে তৃণমূলের চার সদস্যের এক প্রতিনিধিদল কমিশনের সিইও দফতরে যান। কিন্তু তাঁদের বেশির ভাগ প্রশ্নেরই স্পষ্ট কোনও উত্তর দেননি সিইও মনোজ আগরওয়াল। সিইও-র সঙ্গে বৈঠকের পর বাইরে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তৃণমূলের চার প্রতিনিধি। দলে ছিলেন অরূপ বিশ্বাস, ডাঃ শশী পাঁজা, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়। বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ বিশ্বাস বলেন, অবৈধভাবে সাড়ে ১০ হাজার ফর্ম ৬ জমা পড়েছে। প্রথমে কমিশন তা মানতে চাইছিল না। কিন্তু শুক্রবারের বৈঠকের পর সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করতে চেয়েছে কমিশন। কারা জমা দিলেন ফর্ম ৬ বিধানসভাভিত্তিক সেই তালিকাও দেওয়া হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে জমা পড়া ফর্ম ৬ নিয়ে তালিকা প্রকাশের দাবি করেছিল। প্রমাণ হিসাবে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিও করা হয়েছিল। তবে সেই সময় সেকথায় কান না দিলেও চাপে পড়ে তৃণমূলের দাবি মেনে নিল কমিশন। এছাড়াও সুরজিত রায় বিতর্কে কমিশন তৃণমূল প্রতিনিধিদের কাছে তিনটি বিকল্প নাম চাওয়া হয়। শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ ওই অফিসারকে কেন শুভেন্দুর কেন্দ্রে দায়িত্ব দেওয়া হল কেন? তাঁর কোনও সদুত্তর মেলেনি। কমিশন এখনও তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন শশী পাঁজা।

Be the first to comment