কেন ২০১২ সালের আইনে সংশোধনী আনলেন না?, ওবিসি প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে প্রশ্ন বিচারপতির

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা :- ওবিসি মামলায় বড়ো ধাক্কা রাজ্যের। ১৪০টি জনজাতিকে নিয়ে রাজ্যের নতুন বিজ্ঞপ্তি ছিল। সেই বিজ্ঞপ্তিতেই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।

এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি মান্থার রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ”কেন ২০১২ সালের আইনে সংশোধনী আনলেন না? আপনারা ২০১২ সালের ওবিসি আইন অনুযায়ী অর্ধেক কাজ করেছেন। তারপর আবার ১৯৯৩ সালের আইনে ফেরত গেছেন। এটা কেন? বিভিন্ন বিষয়ে রাজ্যের ৪-৫টি বিজ্ঞপ্তিতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে।”

রাজ্যের উদ্দেশে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর বক্তব্য, ”আগেও বলা হয়েছিল ওবিসি শ্রেণিভুক্ত ৬৬টি সম্প্রদায়কে নিয়ে পদক্ষেপ করুন। আপনারা বলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষা করছেন। তখন বলেছিলাম ঠিক আছে, তাহলে সেই পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ করবেন না।” কিন্তু সেই নির্দেশও অমান্য হয়েছে বলে জানিয়েছে উচ্চ আদালত। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যের আবেদন মানেননি দুই বিচারপতি। বলা হয়েছে, আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, ‘বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হল, সার্ভে হয়েছে তখন কেন প্রশ্ন উঠল না? আমরা অ্যাডমিশন করতে পারছি না। যদি আমাদের সিদ্ধান্ত ঠিক প্রমাণিত হয় তখন?’ এরই পাল্টা বিচারপতি মান্থার বক্তব্য, ”যে ৪-৫টা নোটিফিকেশন এসেছে এটা তো আদালতের নির্দেশ অবমাননা বোঝায়। লেজিসলেটিভ প্রসেসও ভেঙেছেন আপনারা।” রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য বলেন, ”এটি লেজিসলেটিভ ব্যাপার নয়, পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেটিক সিস্টেম। বিষয়টাই আলাদা। ২৫ বছর আমার সেই অভিজ্ঞতা রয়েছে।”

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*