রোজদিন ডেস্ক : কেরালা, রাজস্থানের পর উদ্বেগ ছড়িয়েছিল এই রাজ্যেও। এবার সেটাই ঘটল জলপাইগুড়ির মালবাজারে। উদ্ধার হল এক মহিলা বিএলও-র ঝুলন্ত দেহ। কাজের চাপেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন, এমনই অভিযোগ তুলছে পরিবার।এসআইআর আবহে এক বিএলও-র ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে মালবাজারে। মৃত বিএলও-র নাম শান্তি মুনি ওরাওঁ, বয়স ৪৮ বছর। বুধবার সকালে বাড়ির পাশেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, বিএলও-র কাজে অতিরিক্ত চাপের জন্যই আত্মহত্যা করেছেন শান্তি। খবর পেয়ে মৃত বিএলও-র বাড়িতে ছুটে যান রাজ্যের মন্ত্রী বুলুচিক বড়াইক।মালবাজারের রাঙামাটি পঞ্চায়েতে বাড়ি শান্তির। তিনি আইসিডিএস কর্মী। সেই সূত্রেই ১০১ নম্বর বুথের বিএলও-র দায়িত্ব পান। এদিন সকালে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। শান্তির স্বামী বলছেন, শান্তি খুব ভোরে উঠতেন। এদিনও উঠেছিলেন। আমি পরে উঠে ওকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। তাঁর দাবি, শান্তি বাংলা পড়তে-লিখতে না জানায় সমস্যা হচ্ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, কয়েকদিন আগে মালবাজার ব্লকের যুগ্ম বিডিও-র কাছে বিএলও-র পদ ছাড়ার আবেদন জানাতে গেলে তাঁর স্ত্রীকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়। সকাল ১১টা থেকে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছিল। চাপের কথা সবসময়ই বলতেন শান্তি। বিএলও-র মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের আদিবাসী কল্যাণমন্ত্রী ও স্থানীয় বিধায়ক বুলুচিক বড়াইক। তিনি বলেন, এসআইআর আতঙ্কে বহু ভোটার আত্মঘাতী হয়েছেন। এবার কাজের চাপে এক বিএলও-র মৃত্যু হল। একটি সুখী পরিবার ভেঙে গেল। এর দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতেই হবে।

Be the first to comment