ভাঙল জয়-বীরু জুটি, রূপোলি পৃথিবী থেকে চিরবিদায় ধর্মেন্দ্রর

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : ভাঙল জয়-বীরু জুটি। গোটা দেশকে চোখের জলে ভাসিয়ে বিদায় নিলেন ধর্মেন্দ্র সিং দেওল। বলিউডের হিম্যান। শোকস্তব্ধ বলিউড। ১১ নভেম্বর একইভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল তাঁর মৃত্যু সংবাদ। তবে সেবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন। এবার আর তা হল না। সোমবার বেলার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন কিংবদন্তি অভিনেতা। সবমিলিয়ে ২৪৭টি ছবি। একের পর এক হিট। শোলেতে অমিতাভের সঙ্গে জুটি। এখন সবটাই স্মৃতি। গত কয়েকমাস ধরেই বার্ধক্যজণিত রোগে অসুস্থ ছিলেন। শেষ সময়টা ছিলেন প্রথম পক্ষের স্ত্রী প্রকাশ কাউরের সঙ্গে। ধীরে ধীরে সুস্থও হয়ে উঠছিলেন। কয়েকদিন আগে খবর মেলে হাসপাতালে ভর্তি কিংবদন্তি অভিনেতা। শোনা গিয়েছিল, কিছু রুটিন চেকআপের জন্যেই এই সিদ্ধান্ত। তবে সোমবার বেলা গড়াতেই এল চরম খারাপ খবর। ধর্মেন্দ্রর চিকিৎসার জন্য আলাদা মেডিক্যাল বোর্ডও তৈরি করা হয়েছিল। প্রতিটা মুহূর্তে কড়া নজর রাখছিলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হল। এদিন সকাল থেকে ধর্মেন্দ্রকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছিল। কারণ, আচমকা সকাল থেকে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ব্যস্ততা বাড়ছিল। ধর্মেন্দ্রর বাড়িতে একের পর এক বলিউড অভিনেতার আনাগোনা শুরু হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়ে নিরাপত্তা। তবে সেই ছবি শুধু বাড়িতেই নয়, শ্মশানেও। গোটা পরিবার ভিলে পার্লে শ্মশান ঘাটে পৌছে যান। সেখানেই শেষকৃত্য হবে অভিনেতার। সেখানে রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, আমির খান সহ অনেকেই। তিনি ছিলেন বলিউডের প্রকৃত হিম্যান। সুঠাম, পেশিবহুল চেহারায় ছয়, সাতের দশকে পর্দায় এসে দাঁড়ালে মেয়েরা প্রেমে পড়ে যেতেন। পঞ্জাবের লুধিয়ানার কৃষক পরিবারে জন্ম। বড় হওয়ার পর থেকে হ্যান্ডসাম ধর্মেন্দ্রকে প্রতিবেশিরা হিরো বলেই ডাকতেন। হয়তো সেই ডাক থেকেই মনের মধ্যে তৈরি হয়েছিল স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নকে সঙ্গী করেই এসেছিলেন মায়ানগরীতে। বাকিটা ইতিহাস। প্রথম ছবি ১৯৬১ সালের ‘দিল ভি তেরা’, ‘হাম ভি তেরে’। প্রথম ছবি থেকেই ধর্মেন্দ্র বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি লম্বা রেসের ঘোড়া।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*