প্রতিবেদন: সম্পূর্ণ অনৈতিক ও বেআইনি ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন লোকসভার সাংসদ অন্য একটি দলে যোগ দিয়েছেন। দল ও নেতৃত্বের এতে অনুমোদন নেই। তাই অবিলম্বে ওই ২০ জনের সাংসদ পদ বাতিল করা হোক। শুক্রবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে এমনই জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সংসদীয় বা পরিষদীয় সদস্য নয়, দলের দুই-তৃতীয়াংশ ভেঙে বেরিয়ে গিয়ে অন্য দলের সঙ্গে মিশলে তবে তা মার্জার বা সংযুক্তিকরণের আইনি বৈধতা পেতে পারে। শুধুমাত্র ২০ জন সাংসদ নিজেদের ইচ্ছে অনুযায়ী অন্য দলের সঙ্গে মার্জার করছি বলে করে ফেললেন, এটা বেআইনি। এঁরা খারিজ বলে গণ্য হবেন। একাধিক উদাহরণ তুলে এই কথাটাই লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে জানিয়ে এলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার বিকেল ৫ টা থেকে বৈঠক শুরু হয় অধ্যক্ষের ঘরে। ছিলেন দলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, সৌগত রায়। সংবাদ মাধ্যমে মুখোমুখি হয়ে সংবিধানের দশম তফশিলের ব্যাখ্যা দিয়ে অভিষেক বলেন, অন্তত ২০টি এরকম বাতিলের উদাহরণ আমি সঙ্গে এনেছি। কল্যাণদাও এনেছেন। আমরা সেগুলি জমা দিয়েছি। এনসিপিআই যে দলটার কথাই আমরা কেউ কখনও শুনিনি, তাদের সঙ্গে নিজেদের ইচ্ছেমতো মার্জ করে নিলাম। সংসদে আলাদা বসার জায়গা চাইলাম, আলাদা ঘর চাইলাম, নিজেদের মধ্যে থেকেই চিফ হুইপ দলনেতা ঠিক করে ফেললাম। এটা করা যায় না, সম্পূর্ণ বেআইনি। সংবিধানে স্পষ্ট লেখা আছে, আগে থেকে একটি দলে যুক্ত থাকার পর অন্য দলে গেলে সেই দলের সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে। সেইমতো তৃণমূলের প্রতীকে জিতে আসার পর অন্য দলে মার্জ হলে লোকসভার সদস্যপদ বাতিল হওয়ার কথা।

Be the first to comment