বন্দে মাতরম, রাজ্যের মনীষীদের ছবি নিয়ে রাজ্যসভায় প্রতিবাদ তৃণমূল সাংসদদের, মোদির বক্তব্যর প্রতিধ্বনি অমিত শাহরও

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : বন্দে মাতরম নিয়ে গতকাল সরগরম ছিল লোকসভা। এই অমর গানের রচয়িতা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চ্যাটার্জিকে বঙ্কিমদা সম্ভাষণ করে বিতর্কে
জড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদরা এর প্রতিবাদে বঙ্কিম চন্দ্র চ্যাটার্জি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-সহ রাজ্যের মনীষীদের প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানান।


রাজ্যেসভায় আজ বন্দে মাতরম নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুরে সুর মিলিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও বলেন, বন্দেমাতরম এর অংশ বাদ দেওয়া, তোষণের রাজনীতিই ভারত ভাগের বীজ রোপন করেছিল। জানান, বন্দেমাতরমই ছিল সেই মন্ত্র, যা দেশের সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ কে জাগিয়েছে, এখন ও যা সমান প্রাসঙ্গিক। বন্দেমাতরম নিয়ে এখন কেন আলোচনা, কংগ্রেসের এই প্রশ্ন নিয়ে অমিত শাহ বলেন, বন্দেমাতরমের প্রাসঙ্গিকতা আগেও ছিল, এখনও আছে, ২০৪৭ সালে বিকশিত ভারত যখন রূপায়িত হবে তখনও থাকবে। উল্লেখ্য, ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার একশ বছর পূর্ণ হবে।
নাম না করে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, অনেকে (পড়ুন প্রিয়াঙ্কা), বলছেন, বাংলার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য এই আলোচনা, তাঁরা এর গুরুত্ব কমানোর চেষ্টা করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বাংলায় বঙ্কিম চন্দ্র চ্যাটার্জি এই গান লিখলেও সারা দেশে তা ছড়িয়ে পড়েছিল, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ইসলামিক আক্রমণ সহ্য করার পর ব্রিটিশরা যখন দেশে নতুন সংস্কৃতি আরোপের চেষ্টা করছিল, তখন তিনি এই গান লিখেছিলেন। জাতীয়তাবোধকে মা ভাবতে শিখিয়েছিলেন, আমজনতার হৃদয় স্পর্শ করেছিল এই গান, কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত তা ছড়িয়ে পড়েছিল। ১৯৩৭ সালে বন্দে মাতরম-এর ৫০ বছরে জহরলাল নেহরু এর অংশ বাদ দিয়েছিলেন, আর ১৯৭৫ সালে এর শতবর্ষে দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল বলে তিনি তোপ দাগেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*