রোজদিন ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসে বাংলাদেশের শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
উল্লেখ্য ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার জন্য বাংলাদেশে প্রাণ দিয়েছিলেন একঝাঁক তরুণ। ভাষার জন্য তাঁদের এই আত্মদান বন্দিত হয়েছে সারা বিশ্বে। রাষ্ট্র সঙ্ঘ এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ওপার বাংলা শুধু নয়, এপারেও দিনটি মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হয়।

বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সদ্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি-র সরকার গঠিত হয়েছে। দলের পক্ষে জানানো হয়, আজ ভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বেশ কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের শহিদ স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।
সূত্রের খবর, আজ ভোর থেকে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে শহিদ মিনারে আসেন।
” আমার ভাই এর রক্তে রাঙানো ২১ ফেব্রুয়ারি,আমি কি ভুলতে পারি! ” – এই গানে মুখরিত হয় শহিদ মিনার চত্বর।
রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই দিনটির স্মরণ করেন। রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন তাঁর বার্তায় বলেন, এই দিনে মাতৃভাষাকে দমনের বিরুদ্ধে আত্মত্যাগ এক স্বতন্ত্র জাতীয় চেতনার জন্ম দিয়েছিল।।১৯৯৯ সালে রাষ্ট্র সঙঘ এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দানকে তিনি জাতির এক অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত বলে জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ভাষা আন্দোলন শুধু মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেনি, ঐক্যবদ্ধ ভাষা, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় সার্বভৌমত্বের মূল ভিত্তি ও স্থাপন করেছিল।

Be the first to comment