রোজদিন ডেস্ক : প্রথম দফা নির্বাচনের মতই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোটকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশন নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা করছে। প্রথম দফায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হলেও কিছু অশান্তি হয়েছিল। দ্বিতীয় দফা একেবারে ঘটনাহীন করতে বাড়তি কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কমিশন সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোটে বাড়তি নজরদারির জন্য বেশ কিছু কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে বডি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় বডি ক্যামেরাও থাকবে আরও বেশি সংখ্যায়। এছাড়া অশান্তি প্রবণ এলাকায় ড্রোন মারফত নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দফায় মোট ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পাশাপাশি থাকছেন ১৪২ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৯৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ১০০ জন হিসাব পর্যবেক্ষক। দ্বিতীয় দফার ভোটে কলকাতা পুলিশের অধীনে সর্বাধিক ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এছাড়া পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েনও চূড়ান্ত করেছে কমিশন। উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক অশান্তি প্রবণ এলাকায় তুলনামূলক বেশি বাহিনী রাখা হয়েছে।বারাসাত পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ১১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বনগাঁ পুলিশ জেলায় ৬২ কোম্পানি, বসিরহাটে ১২৩ কোম্পানি। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে থাকছে ৫০ কোম্পানি এবং ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১৬০ কোম্পানি বাহিনীদক্ষিণবঙ্গে সুন্দরবন পুলিশ জেলায় ১১৩ কোম্পানি, বারুইপুরে ১৬১ কোম্পানি এবং ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১৩৫ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়েছে। হাওড়া গ্রামীণ এলাকায় ১৪৭ কোম্পানি এবং হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটে ১১০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
নদিয়ার কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি এবং রানাঘাটে ১২৭ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়েছে। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটে ৮৩ কোম্পানি মোতায়েন করা হচ্ছে। হুগলি গ্রামীণ এলাকায় সর্বাধিক ২৩৪ কোম্পানি এবং পূর্ব বর্ধমানে ২৬০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রথম দফার ভোটে ২৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।

Be the first to comment