রোজদিন ডেস্ক : তাঁর প্রতিটি রোড শো-এ জলপ্লাবন, আমজনতার মুগ্ধতা, তাঁকে দেখার জন্য আবেগ, তাঁর ছবি নিজের হাতে এঁকে নিয়ে আসা ছোট শিল্পীরা, এই সব অভিজ্ঞতায় আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলার মানুষের তাঁর জন্য এত ভালবাসা, আবেগে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই গরমে ও তাঁর কোন ক্লান্তি আসে না, কষ্ট হয় না, এই সব রোড শো তাঁর কাছে রাজনৈতিক কর্মসূচি না, তীর্থযাত্রা।
আজ প্রচারের শেষ দিনে দৃশ্যত আবেগতাড়িত প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সব দেখে মনে হচ্ছে ৪ মের পর নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ও তাঁকে আসতে হবে। রাজ্যের জনতার এই ভালবাসাই তাঁর জীবনের বড় পুঁজি বলে জানান তিনি।
রাজ্যে বিজেপি র সরকার আসছে বলে তিনি যে নিশ্চিত, আজ ফের তা জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, দেশের প্রগতি, সংস্কৃতি, স্বাধীন তায় এখানকার সন্তানদের বড় ভূমিকা ছিল। অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গের নারীশক্তি বিজেপিকেই ভরসা করে। এই রাজ্যই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে জিতিয়েছিল।।তাঁর প্রেরণাই বিজেপির সঙ্কল্প। তাঁর একটি সঙ্কল্প তাঁরা পূরণ করেছেন, জম্মু – কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ করে।
এবার এই রাজ্যের সমৃদ্ধি ও শরণার্থীদের সমস্যার সমাধান ও তাঁরা করবেন বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।
পূর্বোদয় ছাড়া ভারতের ভাগ্যোদয় সম্ভব নয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অঙ্গ, কলিঙ্গে কমল ফুটেছে, এবার তা বঙ্গেও ফুটবে।
এই রাজ্যের সেবা করা, সুরক্ষা দেওয়া, বড় চ্যালেঞ্জের থেকে একে রক্ষা করা তাঁর দায়িত্ব বলে জানান প্রধানমন্ত্রী, বলেন, রাজ্যের এই নির্বাচন, সমগ্র পূর্ব ভারতের ই ভাগ্য বফলের নির্বাচন। অতীতে এই অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, তিনটি স্তম্ভ দেশের সমৃদ্ধি র মজবুত স্তম্ভ ছিল। এই তিন স্তম্ভ দুর্বল হলে সারা দেশেই ঝটকা লাগে।
গতকাল তাঁর এক সভায় জনৈক মহিলা জোর করে মঞ্চে উঠতে চাইছিলেন, আজ উত্তর ২৪ পরগণার সভা থেকে তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই বোনের সঙ্গে দেখা করতে না পারায় তিনি ক্ষমাপ্রার্থী।
ঠনঠনিয়া কালীমন্দিরে যাওয়ার কথাও বলেন। জনান, তাঁর আধ্যাত্মিক মননের কেন্দ্রই হল এই রাজ্য।
এখানকার প্রতিটি জনসভা, রোড শো, যেখানেই গেছেন, জনতার ভালবাসা পেয়েছেন, ৪ মের পর বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁকে আসতেই হবে বলে জানান।
১৮৫৭ সালে এই ব্যারাকপুরই স্বাধীনতা র প্রথম লড়াইকে শক্তি জুগিয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, এই ভূমি আজ ও রাজ্যে পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করছে। পালটানো দরকার। জনতা তাঁর আহবানে উচ্চ স্বরে সাড়া দিয়ে সহমত জানায়।
আজ ও শাসক তৃণমূলকে নারী সুরক্ষা, কৃষক, মাটি, যুবক, আমজনতা প্রমুখে র জন্য কিছু করেনি বলে তোপ দাগেন। বলেন, রাজ্যের উন্নয়ন, ভবিষ্যতের জন্য তৃণমূলের কাছে কোন রূপরেখা নেই। কোন ইচ্ছা, দূরদর্শিতা নেই। তৃণমূলকে হারাতেই হবে বলে তিনি বজ্র কন্ঠে ঘোষণা করেন।

Be the first to comment