রোজদিন ডেস্ক: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি দিল্লি থাকাকালীন তাঁর ই প্রতিষ্ঠিত তৃণমূল সংসদীয় দলের ভাঙন পর্ব সম্পন্ন হোল।
সোমবার ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জি কে সঙ্গে নিয়ে বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দেন একদা তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।। দিল্লির কন্সটিটিউশন ক্লাবে যখন ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক চলছে।। এর থেকে মাত্র এক কি মি দূরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ি তখন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে বৈঠক করছেন তৃণমূলের ই সাংদদ রা। সংসদে তাঁরা এন ডি এ কে সমর্থন করবেন বলে সিদ্ধান্ত ও নেন। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়া প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর সাংসদ ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জি র সঙ্গে তাঁরা কেউ দেখা ও করেন নি।
শুধু নির্বাচনে পরাজিত ই না,মাত্র এক মাসের মধ্যে তাসের ঘরের মত ভেঙে খান খান হচ্ছে তৃণমূল।
একদিকে রাজ্যে বিধান সভায় সিংহ ভাগ বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জি কে বিরোধী নেতা বেছে নিয়েছেন, অন্যদিকে দিল্লিতে খোদ দলের প্রতিষ্ঠাতা উপস্থিত থাকলেও দল ভেঙে টুকরো হয়েছে! ২৮ জন সাংদদের ২০ জন ই বেসুরো, বিদ্রোহী। কাকলি ঘোষ দস্তিদার কে নেতা মেনে তাঁরা চিঠি ও দিয়েছেন লোকসভার অধ্যক্ষ কে। একদিকে মমতা ব্যানার্জি যখন ইন্ডিয়া জোটের বিজেপি বিরোধী বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন, তাঁর ই দলের সাংসদ রা তখন সংসদে পৃথক ব্লক করে এন ডি এ কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এর ফলে অভিষেক ব্যানার্জি যে আর লোকসভায় তৃণমূলের নেতা থাকছেন না, তার ও পরিস্কার ইঙ্গিত মিলেছে।
ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে কংগ্রেস শীর্ষ নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর পাশেই ম্লান মুখে বসেছিলেন মমতা ব্যানার্জি। দুজন কে কথা বলতেও দেখা যায়।
অন্যদিকে কলকাতায় বিধান সভা ভবনে মন্ত্রী তাপস রায় সাবেক তৃণমূল কে তুলোধুনো করে বলেন, যত তাড়াতাড়ি এই দল শেষ হয়ে যায়, তা রাজ্য ও সবার পক্ষে ই মঙ্গল।
ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক দের কোন প্রশ্নের উত্তর দেন নি। একটি কথাও না বলে তড়িঘড়ি গাড়িতে উঠে পড়েন।

Be the first to comment