রোজদিন ডেস্ক : বসিরহাটের স্বরূপনগর সীমান্তে বিপুল টাকার সোনার বিস্কুট পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ল এক ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়া। বাজেয়াপ্ত সোনার বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা। জানা গিয়েছে, কালো পলিথিনের ব্যাগে বিপুল পরিমাণ সোনার বিস্কুট নিয়ে যাচ্ছিল ওই পড়ুয়া। ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রের দাবি বাবা ও মায়ের নির্দেশে সে এই কাজ করেছে। সে জানতই না পলিথিন প্যাকেটের মধ্যে আসলে কী আছে। স্বাভাবিকভাবেই গোটা ঘটনায় পড়ুয়ার বাবা, মায়ের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিএসএফ ও স্বরূপনগর থানার পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনা বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার বিথারি হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারত ও বাংলাদেশের দোহারকান্দা সীমান্তের ঘটনা। বছর বারোর ওই নাবালক ক্লাস সিক্সের ছাত্র। বাবা রাহুল মোল্লা ও মা সারবিনা মোল্লা ছেলেকে কালো পলিথিনের ওই ব্যাগটা সীমান্তের ১৭ নং পয়েন্টের ধানক্ষেতে রেখে আসতে বলে। তাদের কথা মত সে সেখানে রেখে আসতে যায়। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বিএসএফের ১৪৩ নং ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানরা ওই সময় পেট্রোলিং করছিলেন। ওই নাবালক যখন ব্যাগটি রেখে পালানোর চেষ্টা করে তাকে হাতেনাতে ধরে বিএসএফ। তাকে ক্ষেতের মধ্যে নিয়ে যায়, গিয়ে দেখে কালো পলিথিনের একটি ব্যাগ রয়েছে। যার মধ্যে ১১ পিস সোনার বিস্কুট, ওজন ১ কেজি ২৮৬ গ্রাম, বাজার মূল্য ১ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা। ওই নাবালকের দাবি তার বাবা-মার নির্দেশ মেনেই এই কাজ করেছে সে। পলিথিনের ব্যাগের মধ্যে কি ছিল সে জানতই না। ধৃত ছাত্র ও উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুটগুলো তেতুলিয়া শুল্ক দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিএসএফ ও পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Be the first to comment