রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা :- ডিভিসি-র ছাড়া জলে প্লাবিত হুগলির একাধিক এলাকা। খানাকুল থেকে হরিপালের মতো এলাকায় জল-যন্ত্রণার ছবি গ্রামে গ্রামে। প্লাবিত হয়ে গিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকার চাষের জমি। যার জেরে মাথায় হাত কৃষকদের।
খানাকুলে রূপনারায়ণ ও মুণ্ডেশ্বরী নদীর জলে প্লাবন পরিস্থিতি। জলে ডুবেছে ৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রায় ২০টি গ্রাম। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খানাকুলের মাড়োখানা পঞ্চায়েত এলাকা। জমির ফসল আগেই জলের তলায় চলে গেছে। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাটের পাশাপাশি ডুবেছে স্কুল। মাড়োখানা উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে জল থই-থই করছে। শিকেয় উঠেছে পড়াশোনা। রাস্তায় নেমেছে নৌকা, পানসি। ট্র্যাক্টরে চড়ে চলছে যাতায়াত। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে বানভাসি খানাকুলে।
অন্যদিকে, ত্রাণ শিবিরের ব্যবস্থা এবং সঠিক সময়ে নদী বাঁধ না সারানোয় রাজ্য সরকারকে দুষেছে বিজেপি। খানাকুলের পর ডিভিসির ছাড়া জলে প্লাবিত হরিপালের বিস্তীর্ণ এলাকার চাষের জমি। দামোদরের সংযোগকারী ডাকাতিয়া খাল বয়ে গেছে হরিপাল দিয়ে। সেই জলই ঢুকেছে হরিপালের সহদেব, দ্বারহাটা, কৈকালা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের চাষের জমিতে। ১০ হাজার হেক্টরের বেশি কৃষি জমি জলের তলায়। ফসল নষ্টের আশঙ্কায় মাথায় হাত চাষিদের।

Be the first to comment