রোজদিন ডেস্ক : সন্ধ্যা পর্যন্ত চলল বারুইপুর আদালত, ২ নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করার জন্য আসামীকে সারা জীবনের জেলে রাখার নির্দেশ দেন মহামান্য বিচারক। আসামি আবির হোসেন মোল্লা। বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বকুলতলা থানার অন্তর্গত নতুন হাট এলাকায়। সারা জীবনের জন্য জেলে রাখার নির্দেশ দেন বারুইপুর মহাকুমার পস্ক আদালতের বিচারক মাননীয় সুব্রত চ্যাটার্জি মহাশয়।এই রায় ঘোষণা করতে গিয়ে মহামান্য বিচারক সমাজের বুকে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আমৃত্যু জেলে থাকার নিদান দিলেন অভিযুক্তকে। রায় শোনার জন্য অভিযুক্ত পক্ষ এবং অভিযোগকারী পক্ষের বহু মানুষ তখন আদালতের বাইরে অপেক্ষা করছেন। রায় শোনার পর অনেকেই কাঁদলেন অনেকে আনন্দে আত্মহারা হয়ে মহান অমান্য বিচারকের নামে জয়ধ্বনি দিলেন। বারুইপুর আদালতের পস্ক মামলার সরকারি আইনজীবী রুনুরাজ মন্ডল বারুইপুর কোর্টে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ২০-৫-২০২০ তারিখে আনুমানিক সকালে বকুলতলা থানা এলাকায় আসামি আবির হোসেন মোল্লা ,গ্রামের তিনজন নাবালিকা সবেদা বাগানে নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে এক নাবালিকা পালিয়ে গেলেও ৬ বছর ও ৮ বছরের দুজন নাবালিকাকে জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন করে। আসামি ওই নাবালিকাদের বাড়িতে বললে মেরে ফেলে দেবার হুমকি দেয়। পরের দিনই ওই দুই নাবালিকাকে আবার যৌন নির্যাতন করার চেষ্টা করলে নাবালিকারা জোরে চিৎকার আরম্ভ করে।গ্রামের লোকেরা ছুটে আসে ঘটনাস্থলে,তখন আসামি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। নাবালিকার অভিভাবকরা বকুলতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে বকুলতলা থানার পুলিশ আসামি আবির হোসেন মোল্লা কে গ্রেফতার করে পরের দিন। ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশ পক্স ছাড়া বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করে।এতদিন আসামিকে জেলে রেখে ই এই মামলা চলে। শেষে বারুইপুর মহকুমা আদালতের মহামান্য বিচারক সোমবার তাকে দোষী সাব্যস্ত করে।
মঙ্গলবার মহামান্য বিচারক আসামিকে সারা জীবনের জন্য জেলে রাখা এবং এক লক্ষ টাকার জরিমানা অনাদায় এক বছরের জেলে থাকার নির্দেশ দেন।
এছাড়াও ওই দুই নাবালিকাকে ১ লক্ষ টাকা করে ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

Be the first to comment