রোজদিন ডেস্ক: মধ্য প্রদেশের বিদিশায় পুত্রের মৃত দেহ আগলে রাখার মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মরিয়ম ভার্গিস বেশ কয়েকদিন তাঁর মৃত পুত্র শিনুর দেহ আগলে রেখেছিলেন। রবিবার দুধ বিক্রেতা সচিন লোধি ওই বাড়ি গিয়ে প্রচন্ড দুর্গন্ধ পান। দরজার কাছে রক্তের দাগ দেখে তিনি মরিয়ম ভার্গিস কে জিজ্ঞেস করেন,সব ঠিক আছে তো!
মহিলা তাঁকে জানান,তাঁর পুত্র শিনু মারা গেছেন। সবাই তাঁকে খুন করেছে৷ তিনি স্থানীয় পুলিশকে জানিয়েছেন।
মহিলা মানসিক ভাবে সুস্থ না থাকায় তাঁর পুত্র শিনু (৪২)গত এক বছর ধরে ওখানে থাকতেন বলে দুধ বিক্রেতা জানান।
প্রতিবেশী রা জানান, গত কয়েকদিন ধরে ওই বাড়ি থেকে প্রচন্ড দুর্গন্ধ আসছিল। মহিলার দুটি পোষা সারমেয় থাকায় তার একটি মারা গেছে বলে তাঁরা ভেবেছিলেন। মহিলা মানসিক ভাবে অসুস্থ, ও কার ও সঙ্গে মেলামেশা না করায় তাঁরা এর কারণ জানার চেষ্টা করেন নি।
দুধ বিক্রেতা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দেহ নিয়ে যাওয়ার পর ঘটনা সামনে আসে। মৃত শিনু আগে মুম্বাইয়ে থাকতেন। মায়ের মানসিক অসুস্থ তার জন্য চলে আসেন। তাঁর ভাই ইউ এ ই তে থাকেন।
মৃত দেহ টিতে পচন ধরেছে। তাঁর বুকের ওপর একটি বই রাখা ছিল। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়, জানায়, ময়না তদন্তের পর কিভাবে ও কতদিন আগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে তা জানা যাবে।
পুলিশের অনুমান, মৃত পুত্র অলৌকিক উপায়ে সুস্থ হয়ে বেঁচে উঠবে বলে মহিলা আশা করেছিলেন। এর জন্য মৃত পুত্রের বুকের ওপর পবিত্র গ্রন্থ রেখেছিলেন। এই মর্মান্তিক ঘটনা য় এলাকায় বিষাদ নেমে এসেছে।

Be the first to comment