একশো দিনের মধ্যে পেপারলেস হবে রাজ্য বিধানসভা, প্রশিক্ষণ শিবিরের শেষে ঘোষণা স্পিকার রথীন্দ্র বসুর

Spread the love

প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা আগামী একশো দিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ কাগজবিহীন বা ‘পেপারলেস’ হয়ে উঠবে।রাজ্যের বিধায়কদের দু’দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির দ্বিতীয় তথা শেষদিনে এমনই জানালেন রাজ্য বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু। অধ্যক্ষ বলেন,কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর উদ্যোগে ইতিমধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে। কেন্দ্র প্রয়োজনীয় অর্থও মঞ্জুর করেছে। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী একশো দিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সম্পূর্ণ পেপারলেস হয়ে যাবে। সমস্ত নথিপত্র, কার্যসূচি এবং অন্যান্য কাজ ডিজিটাল মাধ্যমে করা যাবে।

বিধানসভার মর্যাদা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিধায়কদের আরও দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের প্রক্রিয়া ধারাবাহিক ভাবে চলবে। ভবিষ্যতেও ছোট ছোট পরিসরে এই ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে অধ্যক্ষ জানান। প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের অধ্যক্ষ বা বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার অধ্যক্ষ সতীশ মহনার বক্তব্য বিধায়কদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ৪০ বছরের বিধায়ক জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বিধানসভার ভূমিকা, গণতন্ত্রে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব, বিশেষাধিকার এবং মানুষের সঙ্গে বিধায়কদের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিধানসভার ২৯২ জন সদস্যের মধ্যে ১৮১ জনই প্রথম নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে তাঁদের জন্য এই ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। শুধু নতুন বিধায়ক নন, দীর্ঘদিনের সদস্যদের অনেকের কাছেও এই বিষয়গুলি নতুন। পুরনো বিধায়কদের সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে। তাঁরাও স্বীকার করেছেন, অতীতে এ ধরনের প্রশিক্ষণের সুযোগ পাননি। প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, এটা একটা ‘কন্টিনিউয়িং প্রসেস’। প্রশিক্ষণের পরে সরকার ও বিরোধী সদস্যদের আচরণে পরিবর্তন আসবে কি না, প্রশ্নে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে ভিন্নমত থাকবেই। কিন্তু সেই মতভেদ কখনও বিশৃঙ্খলায় পরিণত হওয়া উচিত নয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*