রোজদিন ডেস্ক : কয়েক বছর আগে রাজ্যে তোলপাড় তুলেছিল নদীয়ার হাঁসখালিতে কিশোরীকে গণধর্ষণ করে খুনের ঘটনা। নাম জড়িয়েছিল স্থানীয় শাসক দলের নেতা, তাঁর পুত্র-সহ অন্যদের।নিম্নবিত্ত পরিবারের ওই কিশোরীকে বাড়িতে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করে বন্ধুদের নিয়ে গণধর্ষণ করেছিল টিএমসি নেতার পুত্র সোহেল গয়ালি ও তার বন্ধুরা।রক্তাক্ত কিশোরীকে তারাই বাড়িতে দিয়ে এসেছিল, পরে তার মৃত্যু হয়। প্রথমে এই ঘটনা চাপা দেওয়ার চেষ্টা হলেও তা হয়নি। রাজ্যব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। গতকাল দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলায় মূল অভিযুক্ত সোহেল গয়ালি, তার বাবা সমর গয়ালি-সহ নয় জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে রাণাঘাট মহকুমা আদালত। আজ তাদের সাজা ঘোষণার কথা আছে।
অপর গুরুত্বপূর্ণ জোড়া খুন হয় চলতি বছরে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে। ওয়াকফ আইনের বিরোধিতার জেরে ছড়িয়ে পড়া হিংসার বলি হন বাবা হরগোবিন্দ দাস ও তাঁর তরুণ পুত্র চন্দন দাস। স্থানীয় থানায় বারবার জানিয়ে ও পুলিশ যায় নি। দুষ্কৃতিরা পরিবারের সামনে নৃশংসভাবে বাবা-ছেলেকে হত্যা করে। তাঁরা সিপিএম সমর্থক ছিলেন। এই ভয়ংকর হত্যা নিয়ে রাজ্যব্যাপী তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। সিট গঠন করে তদন্ত হয়। গতকাল জঙ্গিপুর মহকুমা আদালত দিলদার নাদার-সহ তেরো জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে।আজ তাদের সাজা ঘোষণা করা হবে৷
দুটি ঘটনাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ভয়ংকর, দোষীদের আদালত কি সাজা দেয় সেদিকে তাকিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

Be the first to comment