প্রতিবেদন : সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর জন্য টিকিট চেয়েছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। কিন্তু টিকিট দেয়নি দল। এই ক্ষোভেই তৃণমূল ছেড়ে বিদ্রোহী হয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অভিযোগ পুরোটাই ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। এই মিথ্যে কথা বলার জন্য এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ ধরালেন বারাসতের বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পুত্র ডাঃ বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। মমতার সঙ্গে আরও তিন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, সৌগত রায় ও প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোনালী গুহর বিরুদ্ধেও আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বৈদ্যনাথ। নোটিসে তিনি অভিযোগ করেছেন, এরা নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে মানহানির মামলা করা হবে।ওই নোটিসে বৈদ্যনাথ আরও বলেছেন, আপাতত তিনি একটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত।
এই নোটিস নিয়ে বৈদ্যনাথ সংবাদমাধ্যমে বলেন, আমাদের রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভিডিয়ো বার্তায় বলেন, আমার দলের একজন সাংসদ বিজেপির সঙ্গে রয়েছেন। তিনি তৃণমূলের সংসদীয় দলকে ভাঙবার চেষ্টা করছেন। তারপরই তিনি বলেন, সেই সাংসদের প্রতি আমার একমাত্র অপরাধ হয়েছে যে তাঁর ছেলের জন্য টিকিট চেয়েছিলেন, আমি দিইনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটা বলেছিলেন। তিনি আরও বলেন, ওই সাংসদ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দাবি করেছেন। চাইলে দল ছেড়ে যেতে পারেন। ওই ভিডিয়ো বার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার কিংবা মায়ের নাম নেননি। কিন্তু, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান আমার মা। ফলে তিনি যে আমাদের কথা বলছেন সেটা স্পষ্ট। ভদ্রতার খাতিরে আমি এতদিন চুপ ছিলাম। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একশো শতাংশ মিথ্যে কথা বলছেন। তাই, আইনি নোটিস পাঠিয়েছি। এই প্রসঙ্গে দল বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Be the first to comment