বেআইনি নিয়োগের জন্য চাপ দিতেন পার্থ ও মুকুল, আদালতে বিস্ফোরক কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : আইনি ভেঙে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। এর জন্য বাড়িতে ডেকে তাঁকে চাপ দেওয়া হত। চাপ দিতেন দু’জন, মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মুকুল রায়। শুক্রবার এসএসসি মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান চিত্তরঞ্জন মণ্ডল। ২০১১ সালে তাঁকে চেয়ারম্যান করেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই ছিলেন এই মামলার প্রথম সাক্ষী। তাঁর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে এদিন নিয়োগ মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হল আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতে। এদিন বিচার প্রক্রিয়ার প্রথম শুনানিতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে হাজির ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই যোগ দেন তিনি। তিনি ছাড়াও ভার্চুয়ালি ছিলেন অশোক সাহা, এসপি সিং এবং‌ প্রসন্ন রায়ের মত অভিযুক্তরা। বিচারক বিশ্বরূপ শেঠের এজলাসে সাক্ষ্য নেওয়া হয় এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যানের। ২০১১ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত তিনি চেয়ারম্যান ছিলেন। সিবিআইয়ের আইনজীবীর প্রশ্নে তিনি জানান, এসএসসির চেয়ারম্যান হওয়ার আগে তিনি তৃণমূল শিক্ষা সেলের সভাপতি ছিলেন এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতেন। ২০১১ সালের ৬ জুন চেয়ারম্যান পদে যোগ দেন তিনি। তিনি আরও জানান, সিএম বা মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই তিনি চেয়ারম্যান পদে যোগ দেন। তাঁর সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালীন দুপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে তাঁকে প্রশ্ন করা নিয়ে একাধিকবার বচসা বেধে যায়। সিবিআইয়ের আইনজীবীর প্রশ্নে প্রাক্তন চেয়ারম্যান আরও জানান, তাঁকে চার বছরের জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল। চাপের মুখে পড়ে দু-বছরের মধ্যে, ২০১৩ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। তিনি দাবি করেন, মুকুল রায় এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে বেআইনি ভাবে নিয়োগের জন্য চাপ দিয়েছিলেন। তবে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু সম্পর্কে তিনি কোনও অভিযোগ আনেননি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*