বিহার জয়ের পরই তিনি বলেছিলেন, এই গঙ্গা বাংলাতেও গেছে, বিহার জয় সেই পথ প্রশস্ত করেছে। আজ তাঁর সেই স্বপ্ন সার্থক হয়েছে। দুধ সাদা পাঞ্জাবি, মুগা ধুতি, গেরুয়া উত্তরীয় পরিহিত প্রধানমন্ত্রীকে পুষ্প বৃষ্টি করে স্বাগত জানান উপস্থিত অনুগামীরা। নেপথ্যে বাজছে বাংলা গান, দেওয়া হোল উলুধ্বনি। প্রধানমন্ত্রীকে কালী ও কামাখ্যার ছবি উপহার দেওয়া হোল। ডাকের সাজের দুর্গমূর্তিও দেওয়া হলো
নিতির নবীন প্রধানমন্ত্রীকে মালা পড়িয়ে দিলেন, প্রধানমন্ত্রী পাল্টা তাকে মালা পরিয়ে দেন।
অঙ্গ, কলিঙ্গের পর বঙ্গ জয়ে উচ্ছসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ পুরোদস্তুর বাঙালি পোশাকে সজ্জিত হয়ে দিল্লির বিজেপি কার্যালয়ে এলেন। দিল্লিতে বিজেপি সদর দপ্তরে বাজছে বাংলা গান
রাজ্যে বিজেপির বিপুল জয়কে ভয়, তোষণ ও অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে জয় বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। এর জন্য রাজ্যের মানুষকে কোটি কোটি প্রণাম জানান তিনি। এই জয়কে তৃণমূলের ভয়ের ওপরে ওঠার কথা বলেন তিনি।
বাঙালি ধুতি পাঞ্জাবি পরে দিল্লিতে পার্টির সদর দপ্তরে প্রবেশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
৬টা ৫০ মিনিট —
বিজেপি ২০৪টি আসনে এগিয়ে
তৃণমূল কংগ্রেস ৮৩টি কেন্দ্রে এগিয়ে।
কংগ্রেস ২টি কেন্দ্রে এগিয়ে।
বাম জোট ২টি কেন্দ্রে এগিয়ে।
অন্যান্য ২টি কেন্দ্রে এগিয়ে।
বাংলায় পদ্ম ফোটায় উচ্ছসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ সন্ধ্যায় সমাজ মাধ্যমে তিনি লেখেন, বাংলায় পদ্ম ফুটলো। এই নির্বাচন ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। এর জন্য জনতা কে ই কৃতিত্ব দেন তিনি। বলেন, জনতাই জয়ী। বিজেপির সুশাসন জিতেছে। রাজ্যের প্রত্যেক মানুষকে তিনি প্রণাম জানান৷ তাঁরা সমাজের সব স্তরে সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেবেন বলে জানান।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচন কার্যত প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদার লড়াই হয়ে উঠেছিল। একের পর এক নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলের দুর্নীতি, জঙ্গলরাজের অভিযোগ তোলেন তিনি।
৬টা ২ মিনিট —
বিজেপি ২০৪টি আসনে এগিয়ে
তৃণমূল কংগ্রেস ৮৩টি কেন্দ্রে এগিয়ে।
কংগ্রেস ২টি কেন্দ্রে এগিয়ে।
বাম জোট ২টি কেন্দ্রে এগিয়ে।
অন্যান্য ২টি কেন্দ্রে এগিয়ে।
- হুগলির পাণ্ডুয়ায় পরাজিত তৃণমূলের সমীর (বুয়া) চক্রবর্তী।
- নন্দীগ্রামে বড় ব্যবধানে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী। পরাজিত তৃণমূলের পবিত্র কর।
- কাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আসতে পারেন।
- নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন কার্যত রাজ্যে ঘাঁটি গেড়ে বসেছিলেন তিনি। ঘন ঘন যাতায়াত করেছেন রাজনাথ সিং, যোগী আদিত্য নাথ, নীতিন নবীন, হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সহ একাধিক বিজেপি নেতা।
- রাজ্যে সরকার গড়লে তিনি শপথ গ্রহণের দিন আসবেন বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
- রাজ্যে বিজয় হয়েছে। এবার সরকার গড়ার পালা। সম্পূর্ণ নতুনদের নিয়ে এই কাজ খুব সহজ নয়। মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে ভাবনা চিন্তাও শুরু হয়েছে। আগামীকাল অমিত শাহ বা রাজনাথ সিং এই সব নিয়ে দলীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে আসতে পারেন বলে জানা যায়।
- পানিহাটিতে জয়ী অভয়ার মা বিজেপির রত্না দেবনাথ। ২২ হাজারের বেশি ভোটে তিনি জয়ী হয়েছেন। এবার কন্যার নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যার বিচার তিনি পাবেন বলে আশা।
- ভাঙড়ে জয়ী আইএসএফ এর নওসাদ সিদ্দিকী। পরাজিত শওকত মোল্লা।
- ক্যানিং পুর্বের প্রাক্তন দাপুটে বিধায়ক শওকত মোল্লাকে এবার ভাঙড়ে নওসাদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। কিন্তু শেষ রক্ষা হোল না৷ পরাজিত হলেন তিনি।
- ভবানীপুর কেন্দ্রের যুযুধান দুই ওজনদার প্রার্থী বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও বিদায়ী বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী দুজনেই সাখাওয়াত স্কুলের গণনা কেন্দ্রে আছেন।
- সূত্রের খবর, দুই প্রার্থীই মোবাইল ফোন নিয়ে গণনা কেন্দ্রে যান। তাঁদের ফোন বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। টিএমসি-র গণনা এজেন্টকে বার করে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী সেখানে সরেজমিনে গণনা পরিস্থিতি দেখতে চলে যান। তাঁদের ক্যাম্প অফিসেও ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি এখনও থমথমে।
- কলকাতা বন্দর কেব্দ্রে জয়ী বিদায়ী পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূলের একের পর এক রথী মহারথীরা যখন ধরাশায়ী হচ্ছেন, তখন ৫৬ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।
- রানিনগরে জয়ী হলেন কংগ্রেসের জুলফিকার আলি। ডোমকলে জয় পেলো সিপিএম। বিজয়ী মোস্তাফিজুর রহমান।
- পাহাড়েও বড় জয় বিজেপির। দার্জিলিং ও কালিম্পং কেন্দ্রে জিতেছেন নোমান রাই ও ভরত কুমার ছেত্রী।
- ভবানীপুরে ভোট গণনা স্থগিত!
- খড়দহে চব্বিশ হাজারেরও বেশি ভোটে হারলেন তৃণমূল প্রার্থী দেবদীপ পুরোহিত।

Be the first to comment