রোজদিন ডেস্ক : দীর্ঘদিন ধরে কারান্তরালে তাঁরা। নাগরিকত্ব রক্ষার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। JNU এর সেই মেধাবী পড়ুয়া উমর খালিদ, শারজিল ইমামকে রাবণের প্রতীক করায় তেতে উঠলো জে এন ইউ প্রাঙ্গণ। একদিকে এ বি ভি পি, অন্যদিকে বামপন্থী পড়ুয়াদের সংঘর্ষে উত্তাল এই নামী শিক্ষায়তন। উভয় পক্ষই একে অন্যকে এর জন্য দায়ী করেছে।
শুধু উমর খালিদ, শারজিল ইমামই না, এ বি ভি পি র বিরুদ্ধে অভিযোগ, আফজল গুরু, জি সাইবাবা, চারু মজুমদার প্রমুখকেও রাবণ রূপে দহন করে দশেরা পালন করেন তাঁরা। তাঁদের পুড়তে দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েন। যা নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয় জে এন ইউ চত্বরে।
জে এন ইউ এর পড়ুয়াদের রাবণ হিসাবে দহনের প্রতিবাদে আইসার পক্ষে মানব বন্ধনের আয়োজন করা হয় সাবরমতী টি পয়েন্টের কাছে। অন্যদিকে এবিভিপি-র পড়ুয়ারাও মিছিল করে ওই একই এলাকার দিকে যান। উভয় পক্ষ কাছাকাছি হতেই উত্তেজনার পারদ চরমে ওঠে। শুরু হয় পারস্পরিক সংঘর্ষ।
এ বি ভি পি নেতা বৈভব মীনার অভিযোগ, তাঁদের শোভাযাত্রায় বিনা প্ররোচনায় বামপন্থীরা হামলা করেছে। পক্ষান্তরে আইসা নেতা নীতিশ কুমারের অভিযোগ, সাবরমতী টি পয়েন্টের কাছে তাঁদের প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধনে বাধা দেয় এবিভিপি।
অতি বামপন্থীদের রাবণের প্রতীক করে দশেরায় দহনের কথা স্বীকার করেছেন ABVP নেতা। অন্যদিকে আইসা নেতার অভিযোগ, ওরা নাথুরাম গডসের কুশপুতুল পোড়ায় না। সংবিধান ও মানবাধিকার রাক্ষাকারীদের কুশপুতুল পোড়ায়। উমর খালিদ, শারজিল ইমাম জে এন ইউ এর ছাত্র, নাগরিত্ব রক্ষার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের রাবণ রূপে দহন করার প্রতিবাদ করে হিংসা বিরোধী প্রচার সভায় এ বি ভি পি চড়াও হয় বলে তাঁদের অভিযোগ।
এই সংঘর্ষ নিয়ে জে এন ইউ চত্বরে চাপা উত্তেজনা আছে।

Be the first to comment