না ফেরার দেশে অভিনেতা কল্যাণ চট্টোপাধ্যায়

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : অভিনেতা কল্যাণ চট্টোপাধ্যায়। হঠাৎ করে নামটা বললে, হয়তেো অনেকেই চিনতে পারবেন না। কিন্তু বাংলা ছবিতে তাঁর চরিত্রগুলোর কথা বললে তাঁকে চিনতে বোধ হয় কারুরই সমস্যা হবে না। আপনজন ছবির সেই পাড়ার মাস্তান, অথবা সবুজ দ্বীপের রাজায় ভিলেন বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের সাগরেদকে নিশ্চয় সবার মনে আছে। অথবা ধন্যিমেয়ে, সাগিনা মাহাতো, প্রতিদ্বন্দ্বী, কাহানি, বাংলা ছবির স্বর্ণযুগে প্রায় চারশো ছবি। সহ অভিনেতাদের তালিকাটা দেখলেই বোঝা যায়, নায়ক না হলেও কোন দরের অভিনেতা ছিলেন কল্যাণ। কে নেই সেখানে, উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিক, সন্তু মুখোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দে– বলে শেষ করা যাবে না, কল্যাণের রুপোলি পরিক্রমা। অবশেষে ৭ ডিসেম্বর রবিবার থেমে গেল সেই পরিক্রমা। না ফেরার দেশে চলে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা কল্যাণ চট্টোপাধ্যায়। বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। দীর্ঘ রোগভোগের পর রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এদিনই কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে বয়সজনিত নানা অসুস্থতায় ভুগছিলেন। ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড-সহ নানা ব্যাধি শয্যাশায়ী করে দিয়েছিল। দীর্ঘদিন হাসপাতালে ছিলেন। শারীরিক কারণে অনেক দিনই অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন কল্যাণ। পুণে ফিল্ম ইনস্টিটিউট থেকে অভিনয় নিয়ে পাঠ নিয়ে ছবির জগতে এসেছিলেন। কল্যাণের প্রথম ছবি তপন সিংহের আপনজন। তপন সিংহের প্রিয় অভিনেতা ছিলেন। তাঁর প্রায় সব ছবিতেই দেখা গিয়েছিল কল্যাণকে। অভিনয় করেছেন সত্যজিৎ রায়ের ছবি প্রতিদ্বন্দ্বীতেও। বড়পর্দার পাশাপাশি শেষ বয়সে ছোটপর্দা, ওয়েব সিরিজেও দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*