রোজদিন ডেস্ক : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্য সরকারের প্রায় ৯৬টি সামাজিক প্রকল্প রয়েছে যা বাংলার প্রায় সাড়ে ১০ কোটি মানুষকে কোনও না কোনও ভাবে উপকৃত করছে। অথচ এর কোনও ডকুমেন্টেশন ছিল না এতদিন। অবশেষে তা হল, আর করলেন পরিচালক তথা বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। প্রায় এক ঘণ্টার একটি ডকুফিল্ম তৈরি করেছেন, ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’। বুধবার ছবিটি দেখানো হল নন্দন ২ প্রেক্ষাগৃহে। এই ছবিতে ধরা হয়েছে কীভাবে গ্রামবাংলার আচমকা স্বামীহারা গৃহবধূ জীবনযুদ্ধে বেঁচে যাচ্ছেন মা, মাটি, মানুষের সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষকবন্ধু প্রকল্পের সাহায্যে। এই ছবির মধ্যে দিয়ে গ্রাম বাংলার মানুষকে এই বার্তা এই তৃণমূল কংগ্রেস দিতে চায়, চিন্তার কোন কারণ নেই পাশে আছে মা মাটি মানুষের সরকার। সে কথাই সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। বুধবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছবিটি দেখেন।।শেষে সমস্ত কলাকুশলীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আমাদের সরকার কিংবা যে কোনও নির্বাচিত সরকারের কী কাজ সেটা তুলে ধরা উচিত। আমাদের সরকারের ১৫ বছর গৌরবোজ্জ্বল উন্নয়নের বছর। এই ডকুতে ৭-৮টি প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। ৯৬টি প্রকল্প রয়েছে।

ছবি দেখার পর অভিভূত অভিষেক সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “চলচ্চিত্র শুধুমাত্র গল্প বলার একটি মাধ্যম নয়, বাস্তব সমাজের দর্পণ হিসেবেও কাজ করে। বর্তমান সময়ে সামাজিক বার্তা দেওয়ার জন্য সিনেমা একটি অন্যতম মাধ্যম। আজ ‘নন্দন-২’ প্রেক্ষাগৃহে ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’-এর ডিরেক্টর্স কাট প্রিভিউয়ে অংশগ্রহণ করলাম। বাংলার নারীদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার যে প্রকল্পগুলি গ্রহণ করেছে তা অনস্বীকার্য। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, ‘কন্যাশ্রী’র মতো একাধিক প্রকল্প নারীদের স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ‘আনন্দধারা’, ‘সবুজ সাথী’, ‘বাংলার বাড়ি’, ‘স্বাস্থ্যসাথী’র মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প মানুষের উন্নয়নের কথা বলে। কেন্দ্রীয় সরকার ১.৯৬ লক্ষ কোটি আটকে রাখলেও, মা-মাটি-মানুষের সরকার মানুষকে বঞ্চিত করেনি। ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’র গল্প হয়ে উঠেছে বাংলার নারীদের বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি।”

Be the first to comment