লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর সরাসরি ৬ লক্ষের বেশি মহিলা বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন বিধানসভায় জানালেন : শশী পাঁজা

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- ২০২৩ সাল থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তারা ৬০ বছর পেরোলেই সরাসরি বার্ধক্য ভাতার জন্য নথিভুক্ত হয়ে যাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত এই সংখ্যা প্রায় ৬ লক্ষ ছাড়িয়েছে। শুক্রবার বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে একথা জানালেন রাজ্যের নারী, শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। এদিন তৃণমূল বিধায়ক সমীর জানার প্রশ্নের জবাবে বিধানসভাকে এই তথ্য দিয়েছেন তিনি।
মন্ত্রী জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৬ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৯৫ জন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে সরাসরি বার্ধক্য ভাতার জন্য রূপান্তরিত উপভোক্তা তালিকায় গিয়েছেন। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের জয়বাংলা পোর্টালে এঁদের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে বার্ধক্য ভাতায় গিয়েছেন ৬ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৩৭ জন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প থেকে তফশিলি বন্ধুতে সুবিধা পাচ্ছেন ৪১ হাজার ৮৯২ জন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে জয় জোহার পাচ্ছেন ৬,১৬৬ জন।”
শশী পাঁজা আরও জানান, এই মুহূর্তে রাজ্যে সামগ্রিকভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকের সংখ্যা ২ কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি। এই বছর ১০ জুন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৬১৫ কোটি টাকারও বেশি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার খাতে খরচ করেছে রাজ্য সরকার। ২০২১ সালের আগস্ট মাস থেকে শুরু হওয়া ৮টি দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের মাধ্যমে উপভোক্তারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করেছেন। এর বেশিরভাগ সংখ্যক মহিলাই এখন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাচ্ছেন বলে জানান নারী, শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী।
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের তরফ থেকে যখন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু হয়েছিল, তখন সাধারণ মহিলাদের জন্য মাসে ৫০০ টাকা এবং তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলাদের দেওয়া হতো ১০০০ টাকা। বর্তমানে সেই টাকা বেড়ে এখন সাধারণ মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে পান হাজার টাকা এবং তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলারা এই প্রকল্পে প্রতি মাসে পান ১২০০ টাকা করে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*