সরকার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, তাই এলওপিকে বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয় না তোপ দাগলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

Spread the love

পিয়ালি :
সংসদে চলছে শীতকালীন অধিবেশন। বিরোধীরা দূষণ সহ বিভিন্ন ইস্যুতে বারবার সরব হচ্ছেন, বিতর্ক আলোচনা চাইছেন। প্রচন্ড দূষণে শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা খারাপ এ কথা বলেন সোনিয়া গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তারা এ ব্যাপারে পার্লামেন্টে সরকার আলোচনা বা বিতর্ক করছে না বলে সাংবাদিকদের কাছে ক্ষোভ ও উষ্মা প্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি পার্লামেন্ট চত্বরে রাহুল প্রিয়াঙ্কা দুই ভাই-বোন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরকারকে ইন্সিকিউরড বললেন। রাহুল বলেন গণতন্ত্রে বিরোধী দলনেতার একটা বিশেষ ভূমিকা আছে বিদেশ থেকে আসা বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল যেমন প্রধানমন্ত্রী বা সরকার পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন তেমনি বিরোধী দলনেতার ও তাদের সঙ্গে কথা বলার অধিকার আছে। তিনি অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং মনমোহন সিংয়ের সময়কার উদাহরণ টেনে ধরে বলেন তখন বিরোধী দলনেতার সঙ্গে বিদেশি প্রতিনিধি দলের বৈঠক ও কথাবার্তা হতো। রাহুল অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে বলেন আমি যখন বিদেশে যাই তখনো বিদেশী রাষ্ট্রনায়ক বা বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে মোদি সরকার বাধা সৃষ্টি করেন এমনকি বিদেশী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যখন ভারতে আসেন তখনও তারা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে ও কথা বলতে পারেন না। তারাই তাঁকে বলেছেন যে, এ ব্যাপারে মোদি সরকার নিষেধ করেছে।
রাহুল বলেন এটাই ট্র্যাডিশন বা ঐতিহ্য যে বিশিষ্ট বিদেশী প্রতিনিধি দল যখন দেশে আসেন তখন সরকারের পাশাপাশি এলওপি-র সঙ্গেও তাদের বৈঠক হয়।


ক্ষুব্ধ রাহুল বলেন ভারতবর্ষকে বা হিন্দুস্তানকে আমরাও প্রতিনিধিত্ব করি কেবলমাত্র সরকার প্রতিনিধিত্ব করে তা নয়। কিন্তু মোদি সরকারের নীতি এমন হয়েছে যে তারা কোন মতেই বিদেশি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আমাদের কথা বলতে দিতে চান না। এর কারণ হিসেবে রাহুল বলেন, মোদি সরকার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।
আরো একধাপ এগিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, এটা প্রোটোকল যে কোন বিদেশী অতিথি বা প্রতিনিধি দল এলে তারা সরকার পক্ষের সঙ্গে সঙ্গে বিরোধী দলনেতার সঙ্গেও দেখা করেন কথাবার্তা বলেন।
কিন্তু গণতন্ত্রের এই প্রোটোকল মানেন না নরেন্দ্র মোদি ও তার সরকার বলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।


প্রিয়াঙ্কা বলেন, এই সরকারের নীতি হলো একাধিপত্য। একাই সবকিছু করা। অন্য কাউকে কিছু বলতে না দেওয়া বা আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে না দেওয়া।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রিয়াঙ্কাও বলেন, এই সরকার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এইভাবে বিদেশী অতিথিদের সঙ্গে দেখা করা ও কথা বলতে না দেওয়া গণতন্ত্রের পক্ষে খারাপ বলে উল্লেখ করেন প্রিয়াঙ্কা।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*