রোজদিন ডেস্ক : তৃণমূল ভাঙতে চলছে তা একরকম নিশ্চিত। এরই মধ্যে রবিবার বিকেলে চক্রান্তকারীদের আগেই লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বাড়িতে পৌঁছে গেলেন তৃণমূলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ এবং কীর্তি আজাদ। বিক্ষুব্ধদের প্রস্তাবিত নতুন ব্লকের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তাঁরা। দাবি জানালেন, এমন অসাংবিধানিক তৎপরতাকে যেন মান্যতা না দেওয়া হয়। তৃণমূলের লোকসভা দলনেতা এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি স্পিকারের হাতে তুলে দেন তাঁরা। তৃণমূলের বক্তব্য না শুনে বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে মান্যতা না দেওয়ার আর্জি জানানো হয় অধ্যক্ষকে।
সাগরিকা ঘোষের দাবি, সংসদীয় কক্ষে এই ভাবে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করা যায় না। এই পদক্ষেপ একেবারেই অসাংবিধানিক ও বেআইনি। সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনও ‘বিভাজন’ হতে পারে না। মহারাষ্ট্র সংক্রান্ত রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, এই ধরনের বিভাজন ‘বেআইনি’। এই বিষয়েই একটি চিঠি জমা দিতে এবং স্পিকারকে সাংবিধানিক কাঠামো ও আইনি বিধান মেনে কাজ করার বার্তা দিতেই আজ দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা।

Be the first to comment