রোজদিন ডেস্ক : বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগে অনড় জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে জানিয়ে দিলেন, এর অর্থ গরিবের সামাজিক সুবিধা হরণ। বিশেষত দলিত, আদিবাসী, অনগ্রসর শ্রেণি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়-সহ প্রান্তিক মানুষরাই এর শিকার হন।এর বিরুদ্ধে তাঁদের লড়াই জারি থাকবে।
আজ ভোটমুখি পাটনায় কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক (CWC) উদ্বোধন করেন তিনি। স্বাধীনতার পর এই প্রথম বিহারে কংগ্রেস জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্বাধীনতার আগে ১৯৪০ সালের পর এই রাজ্যে আর তা হয় নি। এবার ভোটমুখি বিহারে জাতীয় কংগ্রেসের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সারা দেশের রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।
বিহারে জাতপাতের ভিত্তিতে নির্বাচনের কথা যে তাঁদেরও মাথায় আছে কংগ্রেস সভাপতির বক্তব্যে তার আভাস মেলে। বলেন, বিহারে SIR-এর মত সারা দেশেই লক্ষ লক্ষ ভোটারের ভোট কাটার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এর অর্থ গরিব, দলিত, আদিবাসী, সংখ্যালঘু, অনগ্রসর, প্রান্তিক মানুষদের রেশন পেনশন, ওষুধ, শিশুদের বৃত্তি ও পরীক্ষা চুরি ও। কেন এই রাজ্যে তাঁরা সম্প্রসারিত কংগ্রেস কর্মসমিতি র বৈঠক করছেন তার ব্যাখ্যা করেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। বিহারকে গণতন্ত্রের “মা” বলে মন্তব্য করে জানান, এখন এই পরিস্থিতিতে দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষায় তাঁরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
খাড়গে বলেন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হল অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন। কিন্তু এখন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে তিনি বলেন, ৩০ বছর আগে তামিলনাড়ুতে সরকার ৬৯% সংরক্ষণ দিয়েছিল, এখন বিহারে ৬৫% সংরক্ষণের নিরাপত্তাও সরকার দিতে পারছে না।এমন কি উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সংরক্ষণের বিরুদ্ধে নিবন্ধও লিখেছেন।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারকে বিজেপি বোঝা মনে করে বলেও তিনি কটাক্ষ করেন।

Be the first to comment