মহাসপ্তমীর সকাল শুরুই হয়েছে নবপত্রিকার স্নান দিয়েই ৷ উৎসবে মুখর বাঙালির কাছে এই কয়েকটি দিন অনেক না পাওয়ার মাঝেই অনেক পাওয়ার সামিল ৷ প্রতিটি মানুষ প্রতিটি স্তরের মানুষ মেতেছে আনন্দে ৷
নব পত্রিকার আক্ষরিক অর্থ নয়টি পাতা ৷ তবে নয়টি গাছ নিয়েই গঠিত হয় নব পত্রিকা নির্মিত হয়ে থাকে ৷ এই নয়টি উদ্ভিদ মা দুর্গার প্রতীক ৷ এই নয়টি উদ্ভিদ কদলী বা রম্ভা (কলাগাছ), কচু, হরিদ্রা (হলুদ), বিল্ব (বেল), দাড়িম্ব (দাড়িম), অশোক, মান ও ধান ৷ একটি সপত্র কলা গাছের সঙ্গে আরও ৮টি সপত্র উদ্ভিদ দুটি বেলে সঙ্গে সাদা অপরাজিতা লতা দিয়ে বেংধে লাল পাড় সাদা শাড়ি পড়িয়ে ঘোমটা দিয়েই বউয়ের আকার দেওয়া এবং মা দুর্গার ডানপাশে রাখা থাকে, গণেশেরও ডান পাশে অধিষ্ঠিত ৷
সপ্তমী সকালের নানান ব্যস্ততার পরেই সাজুগুজুতে একটু হালকা টাচ পুজোতেই যে যেখানেই থাকুক না কেন ? ফিরে আসে বারেবারে ঘরের টানে ৷ পুজোর অনেক দিক আছে পুজো মানেই মায়ের আদর সবাইকে ভাগ করে দেওয়া, প্রথম প্রেমে পড়া ৷ ভাললাগার সব বন্ধুত্বই ভালবাসায় পরিণত হয়ে থাকে এই পুজোয় ৷
মহাশক্তির আরাধনায় জীবনে নেমে আসে মঙ্গল ৷ জীবনের শান্ত স্নিগ্ধ প্রতিবম্বই নতুন করে জীবনে শিক্ষার আলো, জ্ঞানের আলো, অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে চেতনার আলোতে নিয়ে যেতে মায়ের ঘরে ফেরা ৷ জগৎজননী মা উমার ঘরে ফেরা ৷
সব মিলিয়ে পুজোর এই চারটি সব দুঃখ সব না পাওয়া ভুলে ভাল থাকতে চায় মানুষ ৷ মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য ৷

Be the first to comment