রবিবার রাত তখন সওয়া ন’টা। দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির কাপাশেরা এলাকার একটি গেরস্থ বাড়িতে কলিংবেল বাজতেই গৃহকত্রী দরজা খুলতে যান। দরজা খুলতেই গুলির শব্দ। মেয়ের প্রেমিক লুটিয়ে পড়েছে মাটিতে। তড়িঘড়ি প্রতিবেশীদের খবর দিয়ে রক্তাক্ত দীপক গুজ্জরকে (২৬) নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসে (এইমস)। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।
কী কারণে মৃত্যু খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ আত্মঘাতী দীপকের মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করেছে। শেষ তিনি কার সঙ্গে কথা বলেছিলেন, আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া হয়েছিল কি না, সেই বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশের অনুমান দীপকের প্রেমিকা অন্য কোনও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেই কারণেই এই আত্মহত্যার ঘটনা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা। তাঁর হাতে আগ্নেয়াস্ত্রটি কোথা থেকে এল সেটিরও খোঁজ করছে পুলিশ। জানা গেছে দীপক নয়ডার একটি গাড়ি কারখানার কর্মচারী ছিলেন।
ঘটনার আকস্মিকতায় ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁকেও ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি কিছুতা সুস্থ হওয়ার পরই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ।

Be the first to comment