রোজদিন ডেস্ক : যুবভারতী কাণ্ডের প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের মুখপাত্র প্রথম বলেছিলেন “হ্যাংলামো”। বলাই বাহুল্য তার এই “হ্যাংলামো” নিয়ে দলের অন্দরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। মেসিকে নিয়ে সেদিন মাঠে কে বা কারা এত হ্যাংলামো করল যে ফুঁসে উঠলেন দর্শকরা। যদিও তিনি কাদের কথা বলতে চেয়েছিলেন তা খোলসা করেননি মুখপাত্র। “হ্যাংলামো”-র রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগে বুধবার শহরে পা দিয়েই যুবভারতী কাণ্ড নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে সেদিন যুবভারতীতে কিছু লোকের ভূমিকাকে “আদিখ্যতা” বলে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, বাংলাকে বলা হয় ফুটবলের মক্কা। অনেকদিনের জমে থাকা আশা ও উৎসাহ নিয়ে দর্শকরা সেদিন যুবভারতীতে এসেছিলেন। কিন্তু কয়েকজনের ব্যবহার, আচার-আচরণ, আদিখ্যেতা দেখাতে গিয়ে যাঁরা সমর্থক বা ফ্যানেদের নিরাশ করেছেন, এই ঘটনার জন্য তাঁদেরই জবাবদিহি করতে হবে। যে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল তা হতে পারল না। এর জন্য উদ্যোক্তরাও দায়ী। যাঁরা পুজোয় জামা না কিনে টাকা জমিয়ে মেসিকে দেখবে বলে এসেছিল, তাঁদের রাগ হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এটাও দেখতে হবে এটা নিয়ে যেন রাজনীতি না হয়। কিন্তু অভিষেকের আদিখ্যতার পরই তৃণমূলের অন্দরে ফের চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। কাদের দিকে আঙুল তুললেন তিনি? যুবভারতী কাণ্ডে এরই মধ্যে ইস্তফা দিয়েছেন ক্রীড়া মন্ত্রী। সেদিন তাঁর ভূমিকা যথেষ্ট সমালোচিত হয়েছে। অভিষেক কি সেদিকেই ইঙ্গিত করলেন? প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্চে দলের অন্দরে।।

Be the first to comment