রোজদিন ডেস্ক: রাজ্যে নতুন সরকারের আমলে পশু জবাই, বুলডোজার ব্যবহার, হকার উচ্ছেদ ইত্যাদি নিয়ে উদ্বেগ ব্যক্ত করল সি পি এম। দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম রবিবার বলেন, আইনের শাসন ছিল না বলে বিধান সভা নির্বাচনে ক্ষোভ জানিয়েছেন মানুষ৷ সেই এক ই পথে নতুন সরকার যেন না চলে।
সামনে বকরি ইদ। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার পশু জবাই নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে। যা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে রাজ্যে। বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রী কে রবিবার চিঠি দিয়ে বিষয় টি নিয়ে কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন।।
সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম পৃথক ভাবে বলেন, রাজ্যে গো রক্ষার নামে জুলুম্বাজি শুরু হয়েছে। অশান্তি, সামাজিক ভারসাম্য যেন বিঘ্নিত না হয়। সম্প্রীতি যেন অটুট থাকে। মাংস ( গোমাংস!) শুধু মুসলিম রা খান না, অন্য অনেকে ও খান।।প্রধানমন্ত্রী আরব দেশ সফরে যান। সেখানে সাইনবোর্ড দিয়ে ইন্ডিয়ান বিফ বিক্রি হয়।।ভারত মাংস রফতানি তে দ্বিতীয়। কেন্দ্রীয় সরকার এই ক্ষেত্রে প্রথম হতে চাইছে।
সামনে বকরি ইদ। গবাদি পশু ব্যবসায়ী অনেক আছেন। এক বড় অংশের মানুষ পশুপালনের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে সব ধর্মের মানুষ ই আছেন। পশু হত্যা সংক্রান্ত নির্দেশিকায় গোপালক রা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত রা আদালতে যাবেন।তাঁদের নিয়ে রাস্তায় নামবেন তাঁরা। ধর্মের নামে সুড়সুড়ি দেওয়া চলবে না।
তিনি নিজে ব্যক্তি গত ভাবে পশু বলির বিরুদ্ধে জানিয়ে সেলিম বলেন,এই দেশ বহত্ববাদ, বহু সংস্কৃতি র দেশ। সবার খাদ্যাভাস এক নয়।
সরকার আইন করতে পারে, বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারে, এর জন্য সময় দরকার। রাতারাতি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে বহু মানুষ সমস্যায় পড়বেন।
গোরক্ষার নামে ঝান্ডা বদল করা অনেকেই এই সব নিয়ে উত্যক্ত করছে।
গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ভাবে এই সবের মোকাবিলা করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

Be the first to comment