রোজদিন ডেস্ক : আজ সকাল থেকে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে গীতা পাঠ নিয়ে সরগরম হয়ে উঠলো রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যের শাসক দল সরকারিভাবে এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া না জানালে ও ব্যক্তিগত ভাবে একে বিজেপির রাজনৈতিক এজেন্ডা বলেই বিভিন্ন নেতা মনে করেন। কুণাল
ঘোষ, কল্যাণ ব্যানার্জি প্রমুখ নেতা এই বিষয়ে প্রচার মাধ্যমের প্রশ্নে এই ইঙ্গিতই দেন। দলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, গীতা নিয়ে রাজনীতির বিপণন তাঁরা চান না।
কংগ্রেস রাজ্য সভাপতি শুভংকর সরকার এক বিবৃতিতে বলেন, ধর্মগ্রন্থ পাঠ নিয়ে তাঁদের কোন আপত্তি নেই, কিন্ত এর সঙ্গে ভারতীয় সংবিধান ও পড়ার তিনি আবেদন জানান। বলেন, এই পবিত্র সংবিধানই দেশের সব ধর্ম, ধর্মগ্রন্থকে রক্ষা করেছে।
প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, ধর্মকে হাতিয়ার করে ভোট হচ্ছে। সাধারণ মানুষের প্রয়োজনের কথা দূরে সরিয়ে রেখে এই প্রবণতা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।
সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী পরিস্কার বলেন, গতকাল বাবরি মসজিদের শিলান্যাস ও রাজনৈতিক ছিল, আজ ব্রিগেডের গীতা পাঠ ও তাই।
ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে রাজনীতিকে বিপজ্জনক বলে তিনি মন্তব্য করেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চাকরি ইত্যাদিকে সরিয়ে রেখে মন্দির মসজিদ রাজনীতি চলছে। এইসব নিয়ে দৃশ্যত উদবিগ্ন সুজন বাবু বলেন, সরকারি টাকায় মন্দির করে মুখ্যমন্ত্রী এই পথ খুলে দিয়েছেন।
বিজেপিকে বিঁধে বলেন, বলা হয় হিন্দুরা সংকটে, বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি বাড়লেই হিন্দুদের সংকট বাড়ে!! রাজ্যের শাসক দল ও বিজেপিকেই সুবিধা করে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Be the first to comment