#MeToo ক্যাম্পেনে এবার নবতম সংযোজন যতীন দাস

Spread the love

১৪ বছর আগে তাঁকে যৌন হেনস্থা করেছিলেন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী যতীন দাস৷ #MeToo ক্যাম্পেনের সাহায্য নিয়ে এবার তা সামনে আনলেন একটি পেপার-মেকিং সংস্থার সহ প্রতিষ্ঠাতা নিশা বোরা৷ রোজই অভিযুক্তদের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম৷ সেই তালিকায় এবার নবতম সংযোজন যতীন দাস৷ নন্দিতা দাসের বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ করত টুইটারের সাহায্য নিয়েছেন নিশা৷ তিনি জানান, সেই সময় তাঁর ২৮ বছর বয়স ছিল৷ এই নৈশভোজের অনুষ্ঠানে যতীন দাস তাঁকে কয়েক দিনের জন্য তাঁর সহকারী হিসেবে কাজ করতে বলেছিলেন৷ কিন্তু দ্বিতীয় দিনেই তাঁর খিড়কি ভিলেজ স্টুডিওতে যতীন নিশাকে যৌন হেনস্থা করেন৷ নিশার কথায়, “উনি আমাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেছিলেন৷ আমি ছাড়িয়ে দিই৷ উনি আবার চেষ্টা করেন৷ আমি ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিলে উনি বলেছিলেন, এসো না, তোমার ভাল লাগবে৷  এমন ভাবে তাকিয়েছিলেন যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না আমি প্রত্যাখ্যান করছি৷ আমি ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলাম৷ তারপর থেকে কোনও দিন এই বিষয়ে কারও কাছে মুখ খুলিনি৷”

নিশা জানান, “এই ঘটনার দুদিন পর নন্দিতা আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করেন আমি ওঁকে ওঁর বাবার জন্য আমার মতো কোনও সহকারী খুঁজে দিতে পারবো কিনা৷ আমার মনে হয়েছিল কেউ যেন একটা বাঁকানো ছুরি আমার পেটে ঢুকিয়ে দিল৷ নন্দিতার আমি অন্ধ ভক্ত ছিলাম৷” যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন যতীন দাস৷ তাঁর মতে এখন যার তার বিরুদ্ধে বিকৃত অভিযোগ তোলার এক অদ্ভত মজার খেলা চলছে৷ কিন্তু তাতে দমে যাননি নিশা৷ বরং আরও নির্দিষ্ট করে তিনি বলন, “কেন উনি দিন হেনস্থা করেছিলন জানেন? কারণ প্রথম দিন আমি ওঁর বাড়িতে গিয়েছিলাম৷ তাই সুযোগ পাননি৷ দ্বিতীয় দিন কাজের জায়গায় আমাকে একা পেয়ে উনি সুযোগ কাজে লাগিয়েছিলন৷ আর যদি বলেন কেন এতদিন মুখ খুলিনি? তাহলে শুনুন, এই ঘটনার মাত্র এক বছর আগে বিয়ে হয়েছিল আমার৷ নিজের থেকে বেশি পরিবার নিয়ে ভাবতাম৷ তাই ভেবেছিলাম সামলে নেব৷”

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*