পিয়ালী :
মেলোডি হ্যায় চকলেটি … এই বিজ্ঞাপনের স্লোগানটি একসময় খুব জনপ্রিয় হয়। সে অনেক দিন আগেকার কথা। আমাদের ছোটবেলা থেকেই মেলোডি টফি হিসেবে জনপ্রিয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতে তৈরি এই জনপ্রিয় মেলোডিকে ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী মেলোনির জন্য নিয়ে গিয়ে বাজিমাত করে দেন। তার ইতালির সফরে এই ক্ষুদ্র কিন্তু তুচ্ছ নয় উপহারটি নিয়ে সারা বিশ্বে আলোচনা হয়।
সঙ্গে সঙ্গে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়, মোদী মেলোডি ও মেলোনির মেলবন্ধন। আজও হঠাৎ প্রাসঙ্গিক হলো মেলোডি। কিভাবে জানতে গেলে একটু ভূমিকা করা প্রয়োজন। আজ শুক্রবার ১২ জুন বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাংবাদিক সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি রেকর্ডসংখ্যক দিন সরকার চালানোর উদযাপন ছিল আজ। কেন্দ্রে সরকার চালানোর ১২ বছর পূর্তিতে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত হয়েছিল একটি এক্সিবিশন। তার উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের বিকশিত ভারতের কথা বলেন, বলেন জনকল্যাণ ও উন্নয়নের কথা। পাশাপাশি তার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একমাস পেরোনোর পর সাংবাদিকেরা শুভেন্দু অধিকারী-কে নানা প্রশ্ন করেন। সেই প্রশ্নের উত্তরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ খবর হয়। আমরা তা রোজদিনে তুলে ধরেছি।
কিন্তু শুধু খবর নয় খাবারেও ছিল চমক। প্রাতরাশ হিসেবে ছিল ঝালমুড়ি ও চা। বলা বাহুল্য দুটোই প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের। মধ্যাহ্নভোজে ছিল মাছ-সহ আমিষ ভাত। সব ক্ষেত্রেই ছিল আন্তরিকতার ছোঁয়া।

পুরো অনুষ্ঠানই ছিল বাহুল্যবর্জিত অথচ সুন্দর। তবে শেষ চমক অবশ্যই মেলোডি। সাংবাদিকরা যখন বেরিয়ে যাচ্ছেন তখন তাদের হাতে দেওয়া হয় একটি সাধারণ চটের ব্যাগ। ব্যাগ খুলতেই দেখা গেল এক প্যাকেট মেলোডি। সাংবাদিকরা তো যারপরনাই চমকিত এবং উচ্ছ্বসিত। দেশের প্রধানমন্ত্রী শুধুই ইতালির প্রধানমন্ত্রী-কে মেলোডি দিয়েছিলেন তাই নয়, রাজ্য বিজেপিও তাদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে যে এটি সাংবাদিকদের জন্য দেবেন তা ভাবতেও ভালো লাগে।

এই সুন্দর উপহার ক্ষুদ্র কিন্তু তুচ্ছ নয়। যাঁর উদ্যোগে অথবা চিন্তাভাবনায় এই উপহার দেওয়া হয়েছে তিনি বা তাঁরা নিঃসন্দেহে ধন্যবাদ ও প্রশংসার যোগ্য। সবশেষে একটি কথাই বলা যায় চকলেটি মেলোডি দিয়ে আজকের অনুষ্ঠানের হল মধুরেণ সমাপয়েৎ।

Be the first to comment