রোজদিন ডেস্ক : বাংলাদেশের হাসিনা সরকারের পতনের মূল হোতা ছিলেন তাঁরাই। দেশে প্রধান উপদেষ্টা পদে মহম্মদ ইউনুসকে আনা-সহ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনেও প্রধান ভূমিকা ছিল তাঁদেরই। আগামী বছর দেশের সংসদ নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে এই এনসিপি নেতাদের ক্ষোভ ক্রমেই প্রকাশ্যে আসা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহল এখন রীতিমত সরগরম।
এনসিপি-র মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারির সমাজ মাধ্যমে একের পর এক মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে।
এবার তিনি জামায়াত ও বিএনপি-কে প্রকাশ্যেই কুমড়ো ও লাউ বলে মন্তব্য করেন। বলেন, যে ভোট আসছে তা হল কদু (কুমড়ো) ও লাউ এর নির্বাচন। জামায়ত-কে কুমড়ো ও বিএনপি-কে লাউ বলে মন্তব্য করে তিনি জানিয়ে দেন, এদের কোন নির্বাচন তাঁরা দেখতে চান না।
নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারি আরও বলেন, এই দুই দল নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে ভান করছে যেন তারা বিরোধী, অন্যরা সরকারে। একাটি দল ভারতে, আর একটি দল পাকিস্তানে পা রেখেছে। এর জন্য বাংলাদেশের জনতাকে নয়া স্লোগান দিতে হবে, বলতে হবে, তাঁরা দিল্লিও চান না, পিন্ডিও চান না, তাঁরা আসলে ঢাকাকেই চান।
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসকে নিয়েও যে তাঁরা খুশি না তারও আভাস মেলে।
এনসিপি নেতারা চান, আগে দেশে গণভোট হোক। সংসদের ৩০০ আসনে এখনও গডফাদারদের রাজত্ব চলছে। সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারে না।
বর্তমান নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা যাচাই এর জন্য গণভোটই পরীক্ষার প্রথম ধাপ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, দেশে সংস্কার প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন না হলে গৃহযুদ্ধর আশঙ্কা আছে।
অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস আগামী বছরের সংসদ নির্বাচন সুষ্টু শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে সব রকম ব্যবস্থা নিচ্ছেন। পুলিশের বডি ওর্ন ক্যামেরা-সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার ওপর বিশেষ গুরুত্বও দিচ্ছেন। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে প্রস্তাবিত এই নির্বাচন সরেজমিনে দেখতে ইতিমধ্যেই ইউরোপের একাধিক দেশের প্রতিনিধিরা যাবেন বলে জানিয়েছেন।

Be the first to comment