রোজদিন ডেস্ক : সংসদে মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিল পাশ না হওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী র ভাষণ একপেশে বলে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ মন্তব্য করেছেন।। শনিবার রাতে টিভি-তে প্রধানমন্ত্রী তাঁর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ শানান। পরে সমাজ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কে পালটা আক্রমণ শানিয়ে জয়রাম রমেশ বলেন, একজন প্রধানমন্ত্রী যখন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন, তখন তাঁর কাছে পবিত্রতা থাকে। তা পক্ষপাতমূলক হয় না,জাতির আত্মবিশ্বাস গঠনের কথা থাকে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যে ভাষণ দিয়েছেন, তা বিতর্কমূলক, একপেশে। এটি তিনি সাংবাদিক বৈঠক করে বলতে পারতেন।। শুক্রবার সংসদে তিনি যে অসাধারণ লেজিসলেটিভ অস্বস্তি র সম্মুখীন হয়েছিলেন, তাই সাংবাদিক দের মুখোমুখি না হয়ে “অগৃহস্থি ” প্রধানমন্ত্রী এই কাপুরুষের পথ নিলেন।
প্রধানমন্ত্রী কে বিঁধে জয়রাম রমেশ বলেন, উনি মহিলাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, কিন্তু এলাকা পুনর্বিন্যাসের যে অভিসন্ধি উনি নিয়েছিলেন, এর জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল। কেন ২০২৩, সালে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত মহিলা সংরক্ষণ বিল এখনও কার্যকর হয় নি? শুক্রবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র, যুক্তরাষ্ট্রীয়
কাঠামো, সংবিধানকে দুর্বল করার প্রয়াস নিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে “চারশো পার ” ধ্বনি তুলে সংবিধান খর্ব করার চেষ্টা করেছিলেন।
জয়রাম রমেশ তাঁর দীর্ঘ পোস্টে প্রধানমন্ত্রী র একের পর এক দাবি ও বক্তব্য খন্ডন করেন। বলেন, কংগ্রেস জনধন, আধার, জিএসটি, ডিজিটাল ভারত ইত্যাদির বিরোধিতা করেছে বলে প্রধানমন্ত্রী হাস্যকর সব কথা বলেছেন। এই সবই কংগ্রেস আমলের প্রকল্প। আর দেশে ডিজিটাল বিপ্লব আনার কারিগর ছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী।।
প্রধানমন্ত্রীকে তিনি প্যাথলজিক্যাল লায়ার বলে তোপ দাগেন। বলেন, সাবেক মহিলা সংরক্ষণ বিল কার্যকর করা নিয়ে উনি আগামীকালই যদি সংসদ ডাকেন তাঁরা নিশ্চয়ই সমর্থন করবেন।
টিএমসি-র পক্ষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, লোকসভায় তাঁদের ৩৮% সাংসদই মহিলা, সেখানে বিজেপির মাত্র ১৩%।
প্রধানমন্ত্রী র উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আগে নিজেরা করে দেখান, তারপর অন্যদের বলবেন! আপনি আচরি ধর্ম, পরেরে শিখাও।

Be the first to comment