রোজদিন ডেস্ক : দায়িত্ব পেয়েই রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট বুধবার সকালে পৌঁছে গেল যুবভারতীতে। ঘটনাস্থল খুঁটিয়ে পরিদর্শন করেন তদন্তকারী দলের চার পুলিশ কর্তা। যুবভারতীতে ভাঙচুরের ঘটনায় অনুসন্ধান কমিটি গড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিটিতে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীমকুমার রায়ের নেতৃত্বাধীন সেই কমিটি সোমবার রাতে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করে। সেই রিপোর্টে সিট গঠনের সুপারিশ করা হয়। সেই সুপারিশ মেনে মঙ্গলবার চার সদস্যের সিট গঠন করে রাজ্য পুলিশ। তদন্তকারী দলে রয়েছেন রাজ্য পুলিশের এডিজি পীযূষ পান্ডে, বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর, এডিজি আইনশৃঙ্খলা জাভেদ শামিম এবং এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার। এদিন সকাল ১০টা নাগাদ যুবভারতী পৌঁছোয় তদন্তকারী দল। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। কথা বলেন কর্মীদের সঙ্গে। তার পরে স্টেডিয়াম লাগোয়া বিধাননগর কমিশনারেটের অফিসে যান তারা। সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে বেরিয়ে যান তাঁরা। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনও কথা বলতে চাননি তদন্তকারী দলের সদস্যরা। এরপরই বেলায় যুবভারতীতে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি রাজ্যের দুই মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং সুজিত বসুর গ্রেফতারির দাবি জানান। বলেন, রাজ্য সরকারের তদন্ত কমিটি আমরা মানি না। আমরা নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। যাঁদের তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, এদেরই শাস্তুি পাওয়া উচিত ওই ঘটনায়। এদিকে যুবভারতী কাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আরও একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তার নাম রূপক মণ্ডল। ধৃতের বাড়ি ইএম বাইপাস সংলগ্ন চিংড়িঘাটা এলাকায়। এই নিয়ে যুবভারতীতে ভাঙচুরের ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ছয়।

Be the first to comment