রোজদিন ডেস্ক : বন্যা বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের দুর্গত মানুষদের ত্রাণ দিতে গিয়ে রক্তাক্ত, আক্রান্ত হলেন বিজেপির সাংসদ খগেন মুর্মু, বিধায়ক শংকর ঘোষ। আজ দুপুরে জলপাইগুড়ির কাছে বামনডাঙায় নজিরবিহীন এই আক্রমণ হয়। অভিযোগের তির তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) দিকে। জল থৈ থৈ নাগরাকাটার কাছে বামনডাঙায় এই আক্রমণের ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিরোধীনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে জানান, মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। এতে উদবিগ্ন বিরোধী নেতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, লোকসভার অধ্যক্ষ প্রমুখকে জানিয়েছেন। আগামীকাল তিনি মিরিক যাবেন। তার আগে হাসপাতালে গুরুতর আহত সাংসদ খগেন মুর্মুকে দেখতে যাবেন বলে জানান।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও আজ নাগরাকাটা গেছেন। বিরোধী দুই জন প্রতিনিধির ওপর আক্রমণের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্নে জানান, এই ঘটনা তিনি সমর্থন করেন না। যে যার মত আসবেন, কথা বলবেন।
সূত্রের খবর, বামনডাংগায় খগেন মুর্মু, শংকর ঘোষ পৌছনো মাত্র দিদিকে ( মুখ্যমন্ত্রী) অপমান করার অভিযোগ তুলে একদল মানুষ রে রে করে তাঁদের দিকে তেড়ে আসেন। এলোপাথাড়ি কিল, চড়, ঘুষি মারতে থাকেন। লাঠি, কাঠের বাটাম ইত্যাদি দিয়েও মারা হয় বলে শংকর ঘোষ জানান। অভাবনীয় আক্রমণ চলে সাংসদ খগেন মুর্মুর ওপর। শংকর ঘোষের অভিযোগ, হামলা এড়াতে তাঁরা গাড়িতে উঠলেও আক্রমণকারীরা থামেনি, তাঁদের জোর করে গাড়ির থেকে টেনে নামানোর চেষ্টা হয়। ভাংগা হয় গাড়ির কাঁচ। পাথর ছোঁড়া হয়, এর আঘাতে গুরুতর আহত হন খগেন মুর্মু। রক্তাক্ত সাংসদকে দ্রুত ওখান থেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি।
পুলিশের সামনেই এই নজিরবিহীন আক্রমণ হয় বলে শংকর ঘোষ জানিয়েছেন। বন্যার্ত উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আজ সকালেই শিলিগুড়ি পৌঁছোন। তাঁর সঙ্গে পাহাড়-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক সাংসদ, বিধায়ক দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি দেখতে যান। একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে তাঁরা জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় যান। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, কলকাতা থেকে কিছু মানুষ, নেতা, আমলা ডুয়ার্সে লুঠ করতে আসেন। এই সরকারের আমলে উত্তরবঙ্গ লাগাতার বঞ্চনার শিকার। উত্তরবঙ্গ যখন ভাসছে, কলকাতার কার্নিভালে মুখ্যমন্ত্রী তখন নাচছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তাঁর এই সব মন্তব্যের জেরে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা ফুঁসে ওঠেন। সাংসদ খগেন মুর্মু, বিধায়ক শংকর ঘোষ নাগরাকাটা পৌঁছতেই তাঁদের ওপর হামলা শুরু হয়।
বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, এই হামলা পূর্ব পরিকল্পিত। নাম না করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিশানা করে তিনি বলেন, এক শ্রেণির দুষ্কৃতিরা ওঁদের আক্রমণ করে। উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি খগেন মুর্মুকে হত্যার চেষ্টা হয় বলেও শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন। এই ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুশিয়ারি দেন। রাজ্যপালকেও তিনি সব জানিয়েছেন।
রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসও এইদিন পৃথকভাবে দুর্গত দুধিয়া, মিরিক পরিদর্শনে যান।
স্থানীয় সূত্রের খবর, নাগরাকাটায় বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের ওপর হামলার প্রশ্ন তিনি এড়িয়ে যান।
বিজেপির তরুণ নেতা কৌস্তভ বাগচি নাগরাকাটার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, রাজ্যে জঙ্গলরাজ চলছে। অবিলম্বে ৩৫৫ ধারা জারির সুপারিশ করতে তিনি রাজ্যপালকে আর্জি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে এই ঘটনায় অস্বস্তি তে শাসক শিবির। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ প্রশ্ন তুলেছেন, হামলাকারীরা টিএমসি সমর্থক তার কি প্রমাণ আছে?
তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য পালটা কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপি সব জায়গায় তৃণমূলের ভূত দেখছে।
বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা সম্বিত পাত্র, অমিত মালব্য প্রমুখ বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। বিশেষত তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি সাংসদ খগেন মুর্মুকে আক্রমণ ও তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানান।
মালদায় আহত সাংসদের পরিবার এই আক্রমণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ, উদ্বিগ্ন। তাঁর পুত্র অনিমেষ এই ঘটার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন।
পুলিশের সামনেই এই নজিরবিহীন আক্রমণ হয় বলে শংকর ঘোষ জানিয়েছেন। বন্যার্ত উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আজ সকালেই শিলিগুড়ি পৌঁছোন। তাঁর সঙ্গে পাহাড়-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক সাংসদ, বিধায়ক দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি দেখতে যান। একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে তাঁরা জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় যান। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, কলকাতা থেকে কিছু মানুষ, নেতা, আমলা ডুয়ার্সে লুঠ করতে আসেন। এই সরকারের আমলে উত্তরবঙ্গ লাগাতার বঞ্চনার শিকার। উত্তরবঙ্গ যখন ভাসছে, কলকাতার কার্নিভালে মুখ্যমন্ত্রী তখন নাচছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তাঁর এই সব মন্তব্যের জেরে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা ফুঁসে ওঠেন। সাংসদ খগেন মুর্মু, বিধায়ক শংকর ঘোষ নাগরাকাটা পৌঁছতেই তাঁদের ওপর হামলা শুরু হয়।
বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, এই হামলা পূর্ব পরিকল্পিত। নাম না করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিশানা করে তিনি বলেন, এক শ্রেণির দুষ্কৃতিরা ওঁদের আক্রমণ করে। উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি খগেন মুর্মুকে হত্যার চেষ্টা হয় বলেও শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন। এই ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুশিয়ারি দেন। রাজ্যপালকেও তিনি সব জানিয়েছেন।
রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসও এইদিন পৃথকভাবে দুর্গত দুধিয়া, মিরিক পরিদর্শনে যান।
স্থানীয় সূত্রের খবর, নাগরাকাটায় বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের ওপর হামলার প্রশ্ন তিনি এড়িয়ে যান।
বিজেপির তরুণ নেতা কৌস্তভ বাগচি নাগরাকাটার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, রাজ্যে জঙ্গলরাজ চলছে। অবিলম্বে ৩৫৫ ধারা জারির সুপারিশ করতে তিনি রাজ্যপালকে আর্জি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে এই ঘটনায় অস্বস্তি তে শাসক শিবির। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ প্রশ্ন তুলেছেন, হামলাকারীরা টিএমসি সমর্থক তার কি প্রমাণ আছে?
তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য পালটা কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপি সব জায়গায় তৃণমূলের ভূত দেখছে।
বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা সম্বিত পাত্র, অমিত মালব্য প্রমুখ বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। বিশেষত তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি সাংসদ খগেন মুর্মুকে আক্রমণ ও তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানান।
মালদায় আহত সাংসদের পরিবার এই আক্রমণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ, উদ্বিগ্ন। তাঁর পুত্র অনিমেষ এই ঘটার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন।

Be the first to comment