পুজোয় ফের সৌজন্য দেখালেন মমতা, বুদ্ধবাবুর বড়িতে পাঠালেন পুজোর উপহার; পড়ুন!

Spread the love
এই বছর খানেক আগেই নবান্ন থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয় ছুটেছিল বালিগঞ্জের দিকে। পিছনে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের গাড়ি। কেউ জানেনা কোথায় যাচ্ছেন দিদিমণি। পাম অ্যাভিনিউয়ের দিকে টার্ন নিতেই চোখ কপালে উঠেছিল অনেকের। তাহলে কি…
প্রাক্তনের বাড়িতে বর্তমান। বুদ্ধদেব ভট্টচার্যের ফ্ল্যাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌজন্য। বেরিয়ে এসে বলেছিলেন, “আমি বৌদিকে (মীরা ভট্টাচার্য) বলে এসেছি। যেকোনও দরকার হলে জানাবেন।” এ বার পুজোয় ফের সৌজন্য দেখালেন মমতা। বুদ্ধবাবুর জন্য পাঠালেন আদ্দির পাঞ্জাবী এবং ঢোলা পাজামা আর তাঁর স্ত্রী মীরা ভট্টচার্যের জন্য পাঠালেন ধনেখালির তাঁতের শাড়ি। সঙ্গে মিষ্টি। কালীঘাটের শারদ উপহার গ্রহণ করল পাম অ্যাভিনিউ-ও।
এমনিতে শারদীয়ায় উপহার পাঠানো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের অভ্যেস। অনেককেই নিয়মিত পাঠিয়ে থাকেন দিদি। কিন্তু বুদ্ধবাবুকে এই প্রথম। সরকারি দুই আধিকারিককে দিয়ে মমতা এই উপহার পাঠান বুদ্ধবাবুর বাড়িতে। জানা গেছে মীরাদেবীর জন্য শাড়ির রং-ও নিজেই বেছে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
কিন্তু মমতার পাঠানো উপহার বুদ্ধবাবুর গ্রহণ করা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে সিপিএমে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কর্মীসমর্থকরা সমালোচনা শুরু করে দিয়েছেন সমর্থকরা। বামপন্থী কর্মী সমর্থকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এক সিটু নেতা এই ঘটনা নিয়ে তীব্র বিদ্রুপও করেছেন। উত্তর চব্বিশ পরগণার ওই নেতা লিখেছেন, “গ্রামে গঞ্জে কর্মীরা তৃণমূলের হাতে মার খাচ্ছে আর ওখানে উনি পাঞ্জাবী নিচ্ছেন।” বুদ্ধবাবুর উপহার গ্রহণের ব্যাপারে মুখ খুলতে চাননি কোনও রাজ্যস্তরের নেতাই। তবে কলকাতার এক সিমিএম নেতা বলেন, “পার্টি সার্কুলার জারি করেছিল, তৃণমূলের দেওয়া কোনও উপহার দলের কেউ গ্রহণ করবে না। বুদ্ধবাবুর জন্য কি আলাদা সার্কুলার জারি করা হয়েছে?”
তবে সিপিএম যাই বলুক, রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি মমতার সৌজন্যের অনন্য নজির। তাঁদের মতে, বুদ্ধবাবু গ্রহণ করে সেই সৌজন্যের মর্যাদা দিয়েছেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*