রোজদিন ডেস্ক : তাড়াহুড়ো করে অপরিকল্পিত এসআইআর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাংলার ওপর। যার কাজ এখনও শেষ হয়নি। বিবেচনাধীনদের শুনানি চলছে। এরই মধ্যে ফের শিরোনামে এসআইআর। এবার এনসিইআরটি–র নবম শ্রেণির সোশ্যাল সায়েন্সের পাঠ্যসূচিতে এসআইআরকে অন্তর্ভুক্ত করা হল। সেখানে এসবইআরের জন্য নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের সঙ্গে সুর মিলিয়েছে একাধিক বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দল। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায় এই প্রসঙ্গে বলেন, এসআইআরে কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনেকেই ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এনসিইআরটি-র বইতে এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করাটা ভুল। আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি। মাত্র কয়েকদিন আগে এনসিইআরটি-র সিলেবাসে যুক্ত করা হয়েছে জরুরি অবস্থা জারির বিষয়টি। ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধির প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়ে জারি করা হয় জরুরি অবস্থা। তা নিয়েও আপত্তি ও সমালোচনা করেছে তৃণমূল-সহ বিরোধীরা। গত বছর পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, কেরল-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী বা এসআইআরের মাধ্যমে বহু ভুয়ো নাম বাদ দেওয়ার পাশাপাশি অনেক বৈধ ভোটারেরও নাম বাদ দেওয়া হয় বলেই অভিযোগ।

Be the first to comment