প্রতিবেদন: নির্বাচনে ভরাডুবির পর একের পর দলবিরোধী মন্তব্য করেছেন তিনি। যার জেরে হারাতে হয়েছে দলের পদ। পদ হারিয়ে আরও বিস্ফোরক তৃণমূলের যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। এবার দলত্যাগীদের নিশানা করে বলছেন, দলে যাঁরা সর্বাধিক ক্ষমতা উপভোগ করেছে, তাঁরাই সবার আগে পালিয়েছে। যারা বানের জলে এসেছে, তারা তো বানের জলেই যাবে। এরপরই নাম না নেতৃত্বকে তুলোধোনা করে বলেন, আমার হোম ডিস্ট্রিক্ট হাওড়া। সেখান থেকে তমলুকে লড়তে গেছিলাম, দল জানত কনফার্ম হারা সিট। তাও লড়েছিলাম। ভরাডুবির পর তৃণমূল এখন তাসের ঘর। দলে শুধু ভাঙন ধরেছে তাই নয়, একের পর এক নেতা-কর্মী-সমর্থক ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তৃণমূলের প্রতি। দল সম্পর্কে আগেও সরব হয়েছেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। ফের মুখ খুললেন তিনি। দেবাংশু বলছেন, আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা করি। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একজন সমর্থক। দলে যাঁরা সর্বাধিক ক্ষমতা উপভোগ করেছে, তাঁরাই সবার আগে পালিয়েছে। আমি একবার তমলুকে গেছিলাম লড়তে। দল জানত ওটা কনফার্ম হারা সিট। দলের মনে হয়েছে দেবাংশুকে তমলুক দেওয়া দরকার। অন্যদের কলাগাছ আসন দেওয়া দরকার। হাওড়া জেলা আমার হোম ডিস্ট্রিক্ট। সেখানে উড়িয়ে এনে কাউকে সবচেয়ে সহজ সিটটা দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই সবার আগে বেইমানি করেছে। আর আমায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল সাড়ে ৮ হাজার ভোটে পিছিয়ে থাকা চুঁচুড়া আসনে। যারা বানের জলে এসেছে, তারা তো বানের জলেই যাবে। ২০২১- এর ২ মে- এর পর এক বছর দলটা পবিত্র ছিল। তারপর তো নর্দমার জল, ড্রেনের জল এক হয়ে গেল। ২০২৩- এর পঞ্চায়েত ভোটের আগে পোস্ট করেছিলাম আবার একটা ২০১৮ হলে কিন্তু আবার একটা ২০১৯ অপেক্ষা করছে। আগামী দিনে রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকবো কিনা সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে হবে।

Be the first to comment