নির্বাচন কমিশনের কোপে GNLF, KPP-ও

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : নির্বাচন কমিশনের কোপে এবার পাহাড়ের GNLF, কোচবিহারের কামতাপুর প্রোগ্রেসিভ পার্টি (KPP) ও। গত ২০১৯ সালের পর যেসব রাজনৈতিক দল কোন নির্বাচনে অংশ নেয়নি,  তাদের স্বীকৃতি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এবার তাদের কোপে পড়েছে ৪৭৪টি রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে জিএনএলএফ, কেপিপি-সহ রাজ্যের ১২টি দলও আছে।

ECI-এর এই নির্দেশের ফলে এই দলগুলি আর স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের সুবিধা পাবে না। প্রতীক, কর ছাড়-সহ বিভিন্ন সুযোগসুবিধাও আর মিলবে না।

প্রসঙ্গত,  উত্তরবঙ্গের এই দুই দলই এক সময় ধারে-ভারে যথেষ্ট নাম কিনেছিল। বিশেষত দার্জিলিং পাহাড়ের অবিসংবাদিত নেতা প্রয়াত সুবাস ঘিসিং-এর প্রতিষ্ঠিত জিএনএলএফ একসময় রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তাঁর নেতৃত্বে পৃথক গোর্খাল্যান্ড গঠনের দাবিতে শান্ত দার্জিলিং পাহাড় একসময় বহু রক্তাক্ত ঘটনার সাক্ষী ছিল। পরবর্তীকালে জিএনএলএফ ভেঙে বিমল গুরুং নয়া দল গঠন করেন। প্রয়াত সুবাস ঘিসিং-এর পুত্র জিএনএলএফের প্রধান হলেও দলকে আর জোরদার করতে পারেননি।

কোচবিহারে পৃথক কামতাপুরের দাবিতে এক সময় যথেষ্ট আলোড়ন তুলেছিল কেপিপি-ও। যদিও নির্বাচনে খুব একটা সুবিধা তারা করতে পারেনি।

এই রাজ্য সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নাম কা ওয়াস্তে রাজনৈতিক দল খোলার নজিরও কম নেই। নির্বাচনে সুবিধা করতে না পারলেও রাজনৈতিক দল হওয়ার সুবাদে নানা রকম সুযোগসুবিধা পায় তারা। জনসমক্ষে ও নিজেদের গ্রহণ যোগ্যতা প্রমাণের নানা প্রয়াস নেয়।

গত কয়েক বছর ধরেই এই ধরনের রাজনৈতিক দল গুলির ডানা ছাঁটা শুরু করেছে ইসিআই। গত ২ মাসে ৮০৮টি দলকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আর ও ৩৫৯টি দল কে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে প্রকাশ। শুধু নির্বাচনে অংশ না নেওয়াই নয়, ইসিআই বারবার বলা সত্বেও এই সব দল তাদের খরচ ইত্যাদির হিসাবও দেয় না। এবার এই ধরনের সব দলগুলির পরিস্থিতি ইসিআই খতিয়ে দেখছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*