নিজস্ব প্রতিনিধি, করিমপুর: সততার এমন উদাহরণ আজকাল কমই দেখা যায়। নদিয়ার করিমপুরে বাসকর্মী পরিতোষ বিশ্বাস প্রমাণ করলেন, মানবিকতা এখনো বেঁচে আছে।
ঘটনাটি দুর্লভপুর গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু হালদার ও তাঁর স্ত্রী পূজা হালদারকে কেন্দ্র করে। জানা যায়, তাঁরা করিমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁদের সন্তানকে পোলিও ভ্যাকসিন খাওয়ানোর ব্যস্ততায় অসাবধানবশত ব্যাগটি বাসস্ট্যান্ডে ফেলে চলে যান।
ওই ব্যাগটি চোখে পড়ে স্থানীয় বাসকর্মী পরিতোষ বিশ্বাসের। তিনি কোনও দেরি না করে ব্যাগটি করিমপুর থানার আইসি মহম্মদ সেকেন্দার আলমের হাতে তুলে দেন। ব্যাগ খুলে দেখা যায়, তার ভিতরে রয়েছে বেশ কিছু গহনা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র। আধার কার্ডে মালিকের নাম-ঠিকানা দেখে পুলিশ তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে থানায় আসতে বলে।

পরে বাচ্চু ও পূজা হালদার থানায় এসে পরিচয়পত্র দেখিয়ে গহনা ও কাগজপত্র নিজেদের দখলে নেন।
সততার এই নজিরকে সম্মান জানিয়ে করিমপুর থানার পক্ষ থেকে পরিতোষ বিশ্বাসকে পুরস্কৃত করা হয়। গহনা ফেরত পেয়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দম্পতি—পুলিশ ও পরিতোষ বাবুর সততা ও মানবিকতার প্রশংসা করেছেন সকলেই।
এই ঘটনার মাধ্যমে করিমপুর থানার উদ্যোগ এবং এক সাধারণ বাসকর্মীর সততা আবারও প্রমাণ করল—ভালো কাজের অনুপ্রেরণা এখনো বেঁচে আছে সমাজে।

Be the first to comment