রোজদিন ডেস্ক : দাদার মন্ত্রীত্ব গিয়েছে, গিয়েছে বিধায়ক পদও। ভাইয়ের জমিদারিও শেষ। ফেডারেশন সভাপতির মুকুট হারিয়ে আপাতত তিনি নিখোঁজের তালিকায়। কিন্তু ভাই বউয়ের কাউন্সিলর পদটা আছে। কিন্তু ওই যে বলে খারাপ সময়। সেই খারাপ সময়ের জেরেই এবার বিশ্বাস পরিবারে ভাঙন ধরতে চলেছে। আইনি বিচ্ছেদের পথে স্বরূপ বিশ্বাসের স্ত্রী তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে এসে নিজেই খোলসা করলেন গোটা ঘটনা। ২০১৯ সাল থেকেই পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে আলাদা হয়েছেন দু’জন। চলতি বছরের শুরু থেকে ডিভোর্সের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এমনই জানান জুঁই। পালটাআইনের দ্বারস্থ হয়েছেন স্বরূপ বিশ্বাসও। আগামী ৩-৪ মাসের মধ্যে হয়তো বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যেতে পারে। ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস পরিবারের বউ। স্বরূপ ও জুঁইয়ের দুই মেয়ে। জুঁইয়ের দাবি, মেয়েদের কথা ভেবে এতদিন সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। টলিপাড়ায় স্বরূপ বিশ্বাস সম্পর্কে নানা অভিযোগ নিয়ে জুঁই বলেন, টলিউড সংক্রান্ত যা যা অভিযোগ সামনে এসেছে, তা তিনিও শুনেছেন। তবে তিনি এই বিষয়ে আর পাঁচজনের থেকে বেশি কিছু জানেন না। কারণ, স্বরূপের সঙ্গে টলিপাড়ার যতটা সম্পর্ক গভীর, ততটাই দূরত্বে থাকেন জুঁই। জুঁই বলেন, গত ২০১৯ সালে পারস্পরিক সমঝোতায় তাঁরা বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন। তবে কোভিড হওয়ায় ২০২০ সালে আর ঠিকানা বদল করেননি। তবে ২০২৫ সাল থেকে পাকাপাকি ভাবে আলাদা থাকেন তিনি।
নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবি নিয়েও এদিন মুখ খোলেন জুঁই। বলেন, ২০১১-২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রথম দফায় তৎকালীন শাসক শিবির ভালোই কাজ করেছে। তবে তারপর থেকে বদলে যায় সব কিছু। ভালোর পাশাপাশি খারাপ কাজ হতে থাকে। যা আমার মোটেও ভালো লাগত না। সে কারণেই আমি কিছুটা দূরে চলে যাই। তবে বাকিদের মতে তিনি সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে কিছু বলেননি।

Be the first to comment