রোজদিন ডেস্ক : পুজোর ছুটির আর বেশিদিন বাকি নেই। শিক্ষকদের আশা ছিল, বকেয়া কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা পেলে এই সময়টুকু কাজে লাগিয়ে বিদ্যালয়গুলির কিছু সংস্কারের কাজ হবে। অন্তত বেঞ্চ, টেবিল ইত্যাদি সারানো যাবে। এখন অবধি সরকার কোন উচ্চ বাচ্য না করায় মুখ্যমন্ত্রীকে বকেয়া টাকা দেওয়ার আর্জি জানালেন তাঁরা। চলতি বছরের নয় মাস অতিক্রান্ত হলেও গত বছরের কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা এখন ও মেলেনি। বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি আজ এই আর্জিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হান্ডা বলেন, অর্থাভাবে বেশির ভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থাই করুণ। গত ৫ মার্চ এই খাতে যে ৫০% টাকা এসেছিল, বকেয়া বিদ্যুত বিল মেটাতেই খরচ হয়ে গেছে। সরকার যেখানে পুজো কমিটিগুলিকে দেদার টাকা দেয়, সেখানে বিদ্যালয়গুলির প্রাপ্য টাকা মেটাতে এত অনীহা কেন তিনি প্রশ্ন তোলেন। জানান, টাকা বকেয়া থাকায় বহু জেলার বিদ্যালয়গুলির বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছিল।
আনন্দবাবু আরও বলেন, এই কম্পোজিট গ্রান্টের টাকায় বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা হয়। বহু বিদ্যালয়ে অর্থাভাবে বেঞ্চ, টেবিল ইত্যাদি সারানো পর্যন্ত যায়নি। সরকার শিক্ষার প্রতি যে আন্তরিক না, এই ঔদাসিন্যে তা স্পষ্ট। তিনি অবিলম্বে গত বছরের বকেয়া ৫০% টাকা মিটিয়ে দিতে মুখ্যমন্ত্রীকে আবেদন জানিয়েছেন।

Be the first to comment