রোজদিন ডেস্ক : বুকার পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত লেখক বানু মুস্তাকের (Banu Mushtaq) মহিশুরের দশেরা উৎসব উদ্বোধন নিয়ে আপত্তির আবেদন খারিজ করল শীর্ষ আদালত। এর আগে কর্ণাটকে উচ্চ আদালতও একই রায় দেয়। আজ শীর্ষ আদালতের দুই বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহতা ও কর্ণাটক উচ্চ আদালতের রায় বহাল রাখেন। এই বিষয়ে আবেদনকারীর উদ্দেশ্যে তাঁদের প্রশ্ন, একটি সরকারি অনুষ্ঠানে রাজ্য কিভাবে এ. বি. সি-কে পৃথক করতে পারে?.
শীর্ষ আদালতের এই রায়ে খুশি রাজ্য সরকার-সহ সংশ্লিষ্ট মহল।
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কর্ণাটকে দশদিনব্যাপী দশেরা উৎসব শুরু হচ্ছে। মহিশুরের চামুন্ডেশ্বরী মন্দিরে এই উপলক্ষে দেবীকে পুষ্প বর্ষণ করে উৎসবের সূচনা হবে। চলবে বৈদিক মন্ত্র পাঠও। জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে মহিশুর জেলা প্রশাসন গত তেসরা সেপ্টেম্বর বিখ্যাত লেখক বানু মুস্তাক-কে আমন্ত্রণ করায় বিতর্ক বাধে। অহিন্দু বানু-কে কেন এই “পবিত্র” অনুষ্ঠান উদবোধনে আমন্ত্রণ করা হল তা নিয়ে বিজেপি-সহ হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন তীব্র আপত্তি জানায়। এমনকি তাঁকে হিন্দু বিরোধী, কানাড়া বিরোধী বলেও দাগিয়ে দেন তাঁরা। বিষয়টি আদালতে গেলে উচ্চ আদালত তা খারিজ করে দেয়। প্রতিবাদে তাঁরা শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। আজ দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি খারিজ করে উচ্চ আদালতের রায় বহাল রাখেন। মামলারীদের আইনজীবীকে তাঁরা পরিস্কার জানিয়ে দেন, এটি কোন বেসরকারি অনুষ্ঠান নয়, সরকারিভাবে এর আয়োজন করা হয়েছে। সরকার সেখানে কোন ধর্মীয় ভেদাভেদ করতে পারে না।
আইনজীবী পালটা প্রশ্ন তোলেন, কি করে হিন্দুদের পূজ্য দেবীর অনুষ্ঠানে অহিন্দু উদবোধন করেন!! এতে ধর্মীয় অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে বলে তাঁর দাবি।
বিচারপতিরা এই সব কথা আমল না দিয়ে মামলা খারিজ করে দেন।

Be the first to comment